বাংলা হান্ট ডেস্কঃ বাংলার শিক্ষাব্যবস্থার মানোন্নয়নে কোনও খামতি রাখতে চাইছে না নতুন রাজ্য সরকার (Government of West Bengal)। এবার রাজ্যের সরকারি ও সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত স্কুলগুলি (Government School) নিয়ে বিরাট পরিকল্পনা করা হয়েছে। এর মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়গুলির পরিকাঠামো ও পড়াশোনার উন্নয়ন করা হবে।
১২ হাজারের বেশি স্কুল চিহ্নিত করেছে রাজ্য | (Government of West Bengal)
জানা গিয়েছে, রাজ্যের বিভিন্ন জেলার সরকারি স্কুলগুলির মধ্যে থেকে ১২,৩০০টি স্কুল চিহ্নিত করে একটি মেগা প্রকল্পের ব্লু প্রিন্ট তৈরি করেছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। এতে দক্ষিণ ২৪ পরগনা সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পেয়েছে বলে খবর।
আরও পড়ুনঃ বার্থ ও ডেথ সার্টিফিকেট নিয়ে কড়াকড়ি রাজ্যের! আনা হল একাধিক নতুন নিয়ম
জেলাভিত্তিক এই তালিকা অনুসারে, দক্ষিণ ২৪ পরগনার ১৬৬১টি স্কুল বেছে নেওয়া হয়েছে। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা। এই জেলার ১৩৮২টি বিদ্যালয়ের নাম তালিকায় রয়েছে। তৃতীয় স্থানে থাকা মুর্শিদাবাদের ১০৭৫টি স্কুলের নাম আছে। রাজ্যের ২৩টি জেলার ১২ হাজারের বেশি বিদ্যালয় চিহ্নিত করে এই তালিকা বানানো হয়েছে।
এছাড়া ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিকেও বাদ দেয়নি সরকার। বর্ধমান টাউন স্কুল, বাঁকুড়া রামকৃষ্ণ মিশন সারদা বিদ্যাপীঠ সহ একাধিক রামকৃষ্ণ মিশনের মতো ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নামও পিএম শ্রী তালিকায় রাখা হয়েছে। এই মেগা প্ল্যানের মূল লক্ষ্য কী সেটাও জানা গিয়েছে।

জানা গিয়েছে, এই প্রকল্পের তালিকাভুক্ত বিদ্যালয়গুলিকে ঢেলে সাজানো হবে। একাধিক পরিকাঠামোগত উন্নয়ন করবে সরকার। আধুনিক ল্যাবরেটরি, খেলার মাঠের উন্নয়ন থেকে শুরু করে আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থার সঙ্গে তাল মিলিয়ে ডিজিটাল ক্লাসরুম এবং উন্নত শিক্ষা উপকরণের ব্যবস্থা করা হবে। একইসঙ্গে তালিকায় নাম থাকা স্কুলগুলি সর্বাধিক ২৫ লক্ষ টাকা অবধি আর্থিক সহায়তা পেতে পারে।
এদিকে সম্প্রতি বিকাশ ভবনে একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের পর শিক্ষাক্ষেত্রে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। রাজ্যের ৮১ হাজার স্কুলের পরিকাঠামোগত উন্নয়ন থেকে শুরু করে শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে বার্তা দেন তিনি। একইসঙ্গে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলির লাগামছাড়া ফি বৃদ্ধি নিয়েও সরব হন।













