বাংলা হান্ট ডেস্কঃ ২০১৭ সালের ১ ফেব্রুয়ারি থেকে স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্প কার্যকরভাবে চালু করেছিল তৎকালীন রাজ্য সরকার (Government of West Bengal)। এতদিন রাজ্যের বহু শিক্ষক সরকারের থেকে চিকিৎসা ভাতা নেওয়ার পাশাপাশি এই প্রকল্পেরও সুবিধা নিচ্ছিলেন। এবার তাঁদের স্বাস্থ্যসাথী কার্ড (Swasthya Sathi Card) জমা করার নির্দেশ দেওয়া হল। পাশাপাশি যে সময় থেকে স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্প ও চিকিৎসা ভাতার সুবিধা একসঙ্গে উপভোগ করেছেন, সেই সময়ের মেডিক্যাল ভাতাও ফেরত দিতে বলা হয়েছে।
শিক্ষকদের স্বাস্থ্যসাথী কার্ড জমা করার নির্দেশ | (Swasthya Sathi Card)
২০১৬ সালের ৩০ ডিসেম্বর স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্প আনুষ্ঠানিকভাবে চালু করেন রাজ্যের তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ২০১৭ সালের ১ ফেব্রুয়ারি থেকে প্রকল্পটি কার্যকরভাবে চালু হয়। স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পের প্রিমিয়াম রাজ্য সরকার দেয়। সেই কারণে উপভোক্তাদের কোনও খরচ বহন করতে হয় না।
আরও পড়ুনঃ বিদেশের স্টাইলে কলকাতার তিন জায়গায় তৈরি হবে ফুড স্ট্রিট! বিরাট ঘোষণা অগ্নিমিত্রার
এদিকে কোনও কোনও ক্ষেত্রে রাজ্যের শিক্ষকদের একাংশ স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্প ও চিকিৎসা ভাতা, দুইয়ের সুবিধা একসঙ্গে পেয়েছেন। এবার সেটাই বন্ধ করতে উদ্যোগী রাজ্য সরকার। ইতিমধ্যেই জেলায় জেলায় এই নির্দেশ পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।
এই বিষয়ে নিখিলবঙ্গ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ধ্রুবশেখর মণ্ডল বলেন, “স্বাস্থ্যসাথী কার্ড ও চিকিৎসা ভাতা একসঙ্গে পাওয়াকে কিছুতেই সমর্থন করি না। তবে মাসে মাত্র ৫০০ টাকা চিকিৎসা ভাতা পাওয়া যায়। সেটা মোটেই যথেষ্ট নয়। সেই কারণে আমরা বহুবার ওয়েস্ট বেঙ্গল হেলথ স্কিমের আওতায় আমাদের নিয়ে আসার দাবি জানিয়েছি।“

বঙ্গীয় শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী সমিতির সাধারণ সম্পাদক স্বপন মণ্ডল জানান, কেউ এই অন্যায় করে থাকলে সেটা ঠিক করেননি। তবে আগের সরকারের আমলে কীভাবে এই কাজ হল সেই নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।
স্বাস্থ্যসাথী কার্ড ও চিকিৎসা ভাতা নিয়ে রাজ্য সরকার যে পদক্ষেপ নিয়েছে, সেটাকে সমর্থন করছেন শিক্ষকদের অধিকাংশই। তাঁদের মতে, একজন শিক্ষক একই বিষয়ের সুবিধা দু’ভাবে সরকারের থেকে নিতে পারেন না। তবে মেডিক্যাল ভাতার টাকা যেভাবে ফেরত করতে বলা হয়েছে সেটা না করলেই ভালো বলে মনে করছেন তাঁরা।














