বাংলা হান্ট ডেস্কঃ ২০২৬ সালে দাঁড়িয়েও বহু মেধাবী ছাত্রছাত্রীরা অর্থের কারণে উচ্চশিক্ষা বা পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারে না। এমতাবস্থায় তাদের দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিল জি পি বিরলা এডুকেশনাল ফাউন্ডেশন (GP Birla Educational Foundation)। এই সংস্থার তরফ থেকে প্রতিবছর একটি স্কলারশিপ দেওয়া হয়ে থাকে, যেটা ৫৭০০০ টাকা পর্যন্ত প্রদান করে। আজ সেই জি পি বিরলা স্কলারশিপে (GP Birla Scholarship 2026) কিভাবে আবেদন করতে হবে ও কি যোগ্যতা লাগবে সবটা জানাবো আপনাদের।
GP Birla Scholarship 2026
শিল্পপতি ও সমাজসেবক শ্রী জি পি বিড়লার স্বপ্নকে বাস্তব করার উদ্দেশ্যে শ্রীমতি নির্মলা বিরলা জি পি বিরলা এডুকেশনাল ফাউন্ডেশন স্কলারশিপ চালু করেন। যার মাধ্যমে রাজ্যের উচ্চমাধ্যমিক স্তরের মেধাবী পড়ুয়াদের উচ্চশিক্ষার জন্য আর্থিক সাহায্য করা হয়।
আবেদন করার পর যদি নাম সিলেক্ট হয় তাহলে পড়াশোনার খরচ হিসাবে সর্বোচ্চ ৫০০০০ টাকা ও প্রথম বছর বই কেনার জন্য ৭০০০ টাকা পর্যন্ত দেওয়া হয়। মোট ৪ বছরের জন্য এই বৃত্তি দেওয়া হয়, যেটা আর্থিক চাপ অনেকটাই কমিয়ে দেয়।
আরও পড়ুনঃ আচমকাই অ্যাকাউন্টে ঢুকল ২২০০ কোটি! কিভাবে? রাতারাতি বড়লোক হয়ে চিন্তায় ৩ মহিলা
আবেদনের যোগ্যতা : Eligibility for GP Birla Schoarship
আপনি যদি এই স্কলারশিপে আবেদনের জন্য ভেবে থাকেন তাহলে কয়েকটি শর্ত পূরণ করে থাকতে হবে। সেগুলি হল নিম্নরুপঃ
- আবেদনকারীকে অবশ্যই পশ্চিমবঙ্গ বা ঝাড়খণ্ডের স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে।
- আবেদনকারীকে ২০২৬ সালের উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় ভালো নাম্বার সহ পাশ করে থাকতে হবে। WBCHSE বোর্ডের ক্ষেত্রে ৮৫% ও CBSE বা ISC বোর্ডের ক্ষেত্রে ৯০% নাম্বার পেয়ে থাকতে হবে।
- পড়ুয়ার পরিবারের বার্ষিক আয় ৮০০০০০ টাকার মধ্যে হতে হবে।
- ভারত সরকার স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতক কোর্সের জন্য ভর্তি হয়ে থাকতে হবে।
আরও পড়ুনঃ শিল্পায়নের রুক্ষতা কাটিয়ে বিনিয়োগে ভারত সেরা হবে বাংলা, ডানকুনির মঞ্চ থেকে বার্তা শুভেন্দুর
আবেদনের পদ্ধতিঃ
এই স্কলারশিপের জন্য মূলত অনলাইনে আবেদন করতে হবে। তবে চাইলে অফলাইনেও ফর্ম ফিলাপ করা যেতে পারে। নিচে স্টেপ বাই স্টেপ অনলাইন আবেদনের পদ্ধতি দেওয়া হলঃ
- প্রথমেই অফিসিয়াল ওয়েবসাইট https://gpbirlaedufoundation.com এ চলে যেতে হবে।
- এরপর মেনু থেকে Apply Now বাটনে ক্লিক করতে হবে। ও প্রথমবার স্কলারশিপের জন্য আবেদনকারীদের রেজিস্ট্রেশন করতে হবে।
- রেজিস্ট্রেশন করা হয়ে গেলেই আবেদনের ফর্ম খুলে যাবে। সেখানে যাবতীয় তথ্য ও প্রয়োজনীয় নথির ছবি আপলোড করে ফর্ম সাবমিট করতে হবে।
- আবেদন সম্পন্ন হলে একটি অ্যাপ্লিকেশন নাম্বার জেনারেট হবে। সেটাই ভবিষ্যতি স্ট্যাটাস চেক করার কাজে লাগবে। তাই সেটা যত্ন করে সেভ করে রাখতে হবে।
আর যদি আপনি অফলাইনের মাধ্যমে ফর্ম জমা করতে চান তাহলে উপরে দেওয়া অফিসিয়াল ওয়েবসাইট থেকে ফর্ম ডাউনলোড করে সেটাকে ওয়েবসাইটে দেওয়া ঠিকানায় স্পিড পোস্ট করে দিতে হবে।
প্রয়োজনীয় নথি
অনেকের মনেই প্রশ্ন থাকতে পারে যে আবেদনের সময় কি কি ডকুমেন্টের প্রয়োজন হবে? চিন্তা নেই, নিচে প্রয়োজনীয় নথির তালিকা দেওয়া হলঃ
- উচ্চমাধ্যমিকের রেজাল্ট
- পরিবারের বার্ষিক আয়ের প্রমাণ বা Annual Income Proof Certificate
- কলেজে বা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির প্রমাণ (প্রথম বর্ষের অ্যাডমিশন ফি বা ভর্তির কাগজ)
- সম্প্রতিকালে তোলা রঙিন পাসপোর্ট ছবি
- একটি চালু ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ও মোবাইল নাম্বার
আগামী ১৫ই জুলাই অবধি এই স্কলারশিপের জন্য আবেদন করা যাবে। তাই যে সমস্ত ছাত্রছাত্রীরা স্কলারশিপ নিতে চাও তারা দ্রুত আবেদন করে দাও। আরও বিশদে তথ্যের জন্য অফিসিয়াল ওয়েবসাইট দেখতে হবে।

















