বাংলা হান্ট ডেস্কঃ রাজ্যে পালাবদলের পর প্রথম স্বাধীনতা দিবসের তোড়জোড় শুরু হয়ে গেল। এই বছর ১৫ আগস্টের আবহে ৯ দিন ব্যাপী হর ঘর তিরঙ্গা (Har Ghar Tiranga) কর্মসূচি পালন করতে চলেছে রাজ্য সরকার (Government of West Bengal)। ইতিমধ্যেই নবান্নর তরফে একটি নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। এই কর্মসূচি কবে থেকে শুরু, কবে শেষ? কী কী করতে হবে? সব জানানো হয়েছে।
রাজ্য জুড়ে ৯ দিন ধরে হর ঘর তিরঙ্গা কর্মসূচি | (Har Ghar Tiranga)
চলতি বছর দেশের জাতীয় গান ‘বন্দে মাতরম’এর ১৫০ বছর পূর্তি হয়েছে। সেই উপলক্ষে বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সভাপতিত্বে গঠিত কমিটি। সেই কমিটির সিদ্ধান্ত অনুসারে, হর ঘর তিরঙ্গা অভিযান ও বন্দে মাতরমকে একসূত্রে বাঁধা হয়েছে।
আরও পড়ুনঃ সরকারি কর্মীদের হাজিরার পদ্ধতিতে বিরাট বদল! নয়া বিজ্ঞপ্তি জারি অর্থ দফতরের
এই আবহে কেন্দ্রীয় সংস্কৃতি মন্ত্রকের চিঠির উপর ভিত্তি করে রাজ্যের তথ্য ও সংস্কৃতি বিভাগের সচিব ড. সৌমিত্র মোহন একটি নির্দেশিকা জারি করেছেন। সেখানে এই বিশেষ কর্মসূচি সম্বন্ধে বিস্তারিত বলা হয়েছে।
এই কর্মসূচি সফল করতে ইতিমধ্যেই জেলা প্রশাসন, কলকাতা পুরনিগম, পঞ্চায়েত, পুরসভা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলিকে একযোগে কাজ করতে বলা হয়েছে। রাজ্যের সরকারি দফতর, ঐতিহ্যবাহী ভবন, বাজার, বাস টার্মিনাসে তিরঙ্গা থিমের আলোকসজ্জা, জেলা ও ব্লক স্তরে প্রভাতফেরি, তিরঙ্গা র্যালি, সাইকেল ও ই-বাইক শোভাযাত্রা করা হবে। সেই সঙ্গেই জেলা সদর সহ নানা গুরুত্বপূর্ণ জনবহুল জায়গায় জাতীয় পতাকার ইতিহাস নিয়ে কুইজ, প্রদর্শনী, অঙ্কন প্রতিযোগিতা, তিরঙ্গা রঙ্গোলি বানানোর মতো নানা অনুষ্ঠান এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলির দেওয়ালে স্বাধীনতা সংগ্রামীদের চিত্রশিল্প ও উক্তি ফুটিয়ে তোলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

জানা গিয়েছে, এই হর ঘর তিরঙ্গা কর্মসূচি বাস্তবায়িত করতে ১৩ দফা নির্দেশিকা জারি করেছে রাজ্য সরকার। সেই সঙ্গেই রাজ্য জুড়ে ব্যাপক পতাকা বণ্টন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এছাড়া জেলা, মহকুমা, ব্লক, পুরসভা ও পুরনিগমগুলির জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ।













