জ্বালানি বাঁচাতে দেশজুড়ে ফের লকডাউন? জল্পনার অবসান ঘটিয়ে বড় ঘোষণা কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর

Published on:

Published on:

Follow

বাংলাহান্ট ডেস্ক : একদিকে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতি, জ্বালানি নিয়ে আশঙ্কা, তার মাঝে আবার নতুন করে ছড়িয়ে পড়েছে লকডাউনের (Lockdown) জল্পনা। আবারও কি ফিরতে চলেছে ৬ বছর আগের স্মৃতি? আবারও স্তব্ধ হবে দেশ? জ্বালানি বাঁচাতে ফের লকডাউনের পথে হাঁটছে কেন্দ্র? বৃহস্পতিবার থেকে এমনই প্রশ্নে নতুন করে ছড়িয়ে পড়ে আতঙ্ক। অবশেষে সবটা খোলসা করলেন কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরী।

লকডাউনের (Lockdown) জল্পনা নিয়ে জবাব দিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী

সম্প্রতি হঠাৎ করেই ফের লকডাউন লাগু হওয়ার জল্পনা ছড়িয়ে পড়ে বিভিন্ন মহলে। বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমেও ঘোরাফেরা করতে থাকে এমন খবর। কিন্তু সত্যিটা কী? আমজনতার বিভ্রান্তি কাটিয়ে এবার মুখ খুললেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। শুক্রবার হরদীপ সিং পুরী বলেন, ভারতে লকডাউন হওয়ার গুজব ভিত্তিহীন এবং ভুয়ো। তিনি স্পষ্ট বলেন, ভারত সরকার এমন কিছু নিয়ে ভাবনাচিন্তা করছে না।

Hardeep Singh Puri opened up about lockdown rumours

কী জানালেন মন্ত্রী: কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে সকলকে শান্ত এবং ঐক্যবদ্ধ হয়ে থাকতে হবে। আরও বেশি দায়িত্বশীল হতে হবে। একই সঙ্গে আতঙ্ক এবং গুজব ছড়ানো থেকে বিরত থাকার আবেদনও জানান তিনি। উল্লেখ্য, বর্তমান পরিস্থিতিতে আমজনতাকে বড়সড় স্বস্তি দিয়ে পেট্রোল এবং ডিজেলের উপর অন্তঃশুল্ক কমিয়ে এনেছে মোদী সরকার।

আরও পড়ুন : সঙ্কটের সময়ে প্রতি লিটার তেলে ১০ টাকা কমল অন্তঃশুল্ক, দেশের স্বার্থে বড় সিদ্ধান্ত মোদী সরকারের

দাম কমল জ্বালানি তেলের: পেট্রোল (Petrol) এবং ডিজেলের উপরে লিটার প্রতি ১০ টাকা করে অন্তঃশুল্ক কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্র। এই সিদ্ধান্তের ব্যাখ্যা করে কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম মন্ত্রী বলেন, গত এক মাস ধরে আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম গগনচুম্বী। ব্যারেল প্রতি দাম ৭০ ডলার থেকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ১২২ ডলার। ফলত সমগ্র বিশ্ব জুড়ে পেট্রোল ডিজেলের দাম বেড়েছে।

আরও পড়ুন : আজই প্রকাশ্যে দ্বিতীয় সাপ্লিমেন্টারি লিস্ট, কদ্দূর এগোলো ট্রাইব্যুনালের কাজ? হাইকোর্টকে চিঠি CEO-র

এই পরিস্থিতিতে ভারত সরকারের কাছে দুটিই রাস্তা খোলা ছিল। হয় অন্যান্য দেশগুলির মতো পেট্রোল ডিজেলের দাম বাড়ানো। নয়তো সরকারের ক্ষতি মেনে নিয়ে দেশবাসীকে সুরক্ষিত করা। বিবেচনা করে দ্বিতীয় পথটিই বেছে নেওয়া হয়েছে। মনে করা হচ্ছে, বিভিন্ন ভারতীয় তেল বিপণনকারী সংস্থাগুলির উপর থেকে চাপ কমাতেই এই সিদ্ধান্ত। তবে এতে সরকারের উপরে যে আর্থিক চাপ বাড়বে তাও স্পষ্ট করে দিয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী।