বাংলা হান্ট ডেস্ক : দীর্ঘদিন ধরে রাজ্যের সরকারি হাসপাতালগুলিতে চিকিৎসক, নার্স-সহ বিভিন্ন পদে কর্মীর অভাবের অভিযোগ উঠছিল। সেই পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্য পরিষেবাকে আরও শক্তিশালী করতে বড় পদক্ষেপের ইঙ্গিত দিল স্বাস্থ্যমন্ত্রী শ্বারদ্বত মুখোপাধ্যায় (Sharadwat Mukherjee)। স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ দফতরে নতুন কর্মী নিয়োগের (Health Recruitment)ঘোষণা করেছে স্বাস্থ্যমন্ত্রী ।
স্বাস্থ্য দফতরে বিপুল নিয়োগের(Health Recruitment) ঘোষণা স্বাস্থ্যমন্ত্রীর
স্বাস্থ্যমন্ত্রীর এই ঘোষণার পর থেকেই চাকরির আশায় থাকা অসংখ্য যুবক-যুবতীর মধ্যে নতুন করে আশার সঞ্চার হয়েছে। এখন সবার নজর সরকারি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির দিকে। নিয়োগের কথা ঘোষণা করা হলেও, এখনও পর্যন্ত কোনও অফিসিয়াল বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়নি। কবে আবেদন শুরু হবে, কীভাবে আবেদন করতে হবে কিংবা কোন কোন পদে নিয়োগ হবে—এসব বিষয়ে সরকার এখনও বিস্তারিত কিছু জানায়নি।
স্বাস্থ্যমন্ত্রীর বক্তব্যের পর প্রশাসনিক মহলের একাংশের ধারণা, আগামী ১৫ জুলাইয়ের পর ধাপে ধাপে বিভিন্ন পদের জন্য নিয়োগ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হতে পারে। স্বাস্থ্যভবনের অন্দরমহলের খবর, সরকারি হাসপাতালগুলিতে দীর্ঘদিন ধরে থাকা শূন্যপদ পূরণ করাই আপাতত সরকারের প্রধান লক্ষ্য। বিশেষ করে চিকিৎসক ও নার্সের ঘাটতি মেটানোর ওপর জোর দেওয়া হতে পারে। কলকাতার একাধিক মেডিক্যাল কলেজ থেকে শুরু করে জেলা, মহকুমা ও গ্রামীণ হাসপাতাল—সব জায়গাতেই প্রয়োজনের তুলনায় কর্মী কম থাকায় বিস্তৃত পরিসরে নিয়োগের পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে বলে জানা যাচ্ছে।
উল্লেখ্য, কতগুলি পদে নিয়োগ হবে, কোন শিক্ষাগত যোগ্যতা প্রয়োজন, কিংবা আবেদনপত্র জমা দেওয়ার সময়সীমা কত—এই সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য এখনও প্রকাশ করা হয়নি। ফলে চাকরিপ্রার্থীদের এখন সরকারি বিজ্ঞপ্তির জন্যই অপেক্ষা করতে হবে। শুধু নিয়োগ নয়, চিকিৎসকদের পোস্টিং ব্যবস্থা নিয়েও পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। চিকিৎসক দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, “এবার থেকে নির্দিষ্ট সময়ান্তরে, মোটামুটি ২ থেকে ৩ বছরের মধ্যে গ্রামে পোস্টিং থাকা চিকিৎসকদের ফেরানো হবে শহরে।”

আরও পড়ুন :বিজেপির শপথগ্রহণে গিয়েছিলেন, এবার প্রসেনজিতের বাড়িতে হাজির শাহ! কী কথা হল?
প্রসঙ্গত, অনেক চিকিৎসকের অভিযোগ, আগের সরকারের আমলে পোস্টিং প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতার অভাব ছিল। তাঁদের দাবি, কেউ বছরের পর বছর গ্রামীণ এলাকায় দায়িত্ব পালন করেছেন, আবার কেউ দীর্ঘ সময় কলকাতাতেই কর্মরত ছিলেন। সেই কারণেই বহুদিন ধরেই একটি স্বচ্ছ ও নির্দিষ্ট পোস্টিং নীতির দাবি উঠছিল। নতুন সরকারের তরফে সেই ব্যবস্থার ইঙ্গিত মেলায় চিকিৎসক মহলে খুশির হাওয়া। এখন স্বাস্থ্যদফতরের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকেই তাকিয়ে রয়েছে সরকারি চাকরির অপেক্ষায় থাকা হাজার হাজার প্রার্থী।













