পাঁচ বছর আগেই কিডনি রোগ শনাক্ত! কোন পরীক্ষা করাবেন, খরচ কত পড়বে জানুন…

Published on:

Published on:

Health one test can detect kidney disease five years in advance
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্ক: বর্তমান দিনে কিডনির রোগ নিয়ে চিন্তা বাড়ছে। জানা যায় দেশের স্বাস্থ্যমন্ত্রকও এই নিয়ে সতর্ক করেছে। এছাড়াও কিডনির রোগে বেশি আক্রান্ত হচ্ছেন কমবয়সিরাই। পাশাপাশি কিডনিতে পাথর জমার সমস্যা তো আছেই, পাশাপাশি কিডনিতে সংক্রমণ, পলিসিস্টিক কিডনির অসুখ এবং ফ্যাটি কিডনির লক্ষণও ধরা পড়ছে। তাই আগে থাকতেই সতর্ক হওয়া প্রয়োজন (Health)।

এক পরীক্ষায় কিডনি রোগ পাঁচ বছর আগেই ধরা সম্ভব (Health)

ডায়াবিটিস বা হার্টের রোগ যাঁদের আছে অথবা ঘন ঘন মূত্রনালির সংক্রমণে ভোগেন, তাঁরা গতানুগতিক কিছু পরীক্ষার পাশাপাশি একটি পরীক্ষা অবশ্যই করিয়ে রাখবেন। এই পরীক্ষাটি করানো থাকলে কিডনির রোগের ঝুঁকি আছে কি না, তা অনেক আগেই ধরা পড়বে (Health)।

Health one test can detect kidney disease five years in advance

আরও পড়ুন: হেলদি, টেস্টি আর পুষ্টিকর! সন্ধ্যার আড্ডায় চমক দিন মসুর ডাল–পনির টিক্কি দিয়ে, রেসিপি রইল

কোন পরীক্ষাটি সবচেয়ে বেশি জরুরি: চিকিৎসকদের মতে কিডনির স্বাস্থ্য কেমন তা জানতে কিডনি ফাংশন টেস্টই বেশি করানো হয়। এই পরীক্ষাটির নামই বেশি পরিচিত। আর এতেই ধরা পড়ে রক্তে ক্রিয়েটিনিনের মাত্রা কতটা। ক্রিয়েটিনিন হল বিপাকক্রিয়া বা পেশির ক্ষয়ের কারণে তৈরি একরকম বর্জ্য পদার্থ যার মাত্রা বাড়লে কিডনি তা ছেঁকে প্রস্রাবের মাধ্যমে শরীর থেকে বার করে দেয়।

তাই যদি ধরা পড়ে, রক্তে এর মাত্রা বাড়ছে তা হলে বুঝতে হবে কিডনি ক্রমশ অকেজো হতে শুরু করেছে। তবে কিডনি ফাংশন টেস্টের সীমাবদ্ধতা হল, এটি কেবল ক্রিয়েটিনিনের মাত্রাই নির্ধারণ করতে পারে। আর ক্রিয়েটিনিনের মাত্রা বেশি দেখানোর অর্থই হল, কিডনি ইতিমধ্যেই বিকল হতে শুরু করে দিয়েছে।

তাই চিকিৎসকরা বেশি কার্যকর পরীক্ষাটি হল ‘ইউরিন এসিআর’ বা ‘ইউরিন অ্যালবুমিন-ক্রিয়েটিনিন রেশিয়ো’। এটি মূলত প্রস্রাবের একরকম পরীক্ষা যা শুধু ক্রিয়েটিনিন নয়, কিডনি থেকে নির্গত প্রোটিন অ্যালবুমিনের মাত্রাও নির্ধারণ করে। এছাড়াও রক্তে ক্রিয়েটিনিনের মাত্রা তখনই বিপদসীমা পেরিয়ে যায়, যখন কিডনির প্রায় ৫০ শতাংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে যায়। তবে অ্যালবুমিন নির্গত হয় অনেক আগেই।

কী ভাবে করা হয় পরীক্ষাটি: প্রথমে রোগীর প্রস্রাবের নমুনা নিয়ে পরীক্ষা করে তাতে অ্যালবুমিন ও ক্রিয়েটিনিনের মাত্রার অনুপাত দেখা হয়। সেটি যদি ৩০-এর কম হয়, তা হলে বুঝতে হবে কিডনি সুস্থ আছে। যদি ৩০ থেকে ৩০০-র মধ্যে হয়, তা হলে বুঝতে হবে সেটি কিডনির রোগের প্রাথমিক ধাপ। এই অবস্থাকে বলা হয় মাইক্রোঅ্যালবুমিনুরিয়া। দ্রুত ব্যবস্থা নিলে তাড়াতাড়ি সুস্থ হয়ে ওঠা যাবে। তবে যদি মাত্রা ৩০০-র বেশি হয়, তা হলে বুঝবে হবে কিডনির বড়সড় ক্ষতি হতে পারে (Health)।