বাংলাহান্ট ডেস্ক : এখনও পুরোপুরি বর্ষা শুরু হয়নি রাজ্যে। গুমোট গরমে হাঁসফাঁস অবস্থা মানুষের। সেই সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ইলেকট্রিক বিল। এসির জন্য বাড়তি বিলের চিন্তায় ঘুম ওড়ার জোগাড় মধ্যবিত্তের। তবে এবার সেই চিন্তা থেকে অব্যাহতি দিতে বড় উদ্যোগ নিয়েছে সরকার (PM Surya Ghar Yojana)। বিনামূল্যে বিদ্যুৎ দেবে কেন্দ্র। হ্যাঁ, সরকারের এমনই একটি প্রকল্প নিয়ে এবার চর্চা শুরু হয়েছে বাংলায়।
বিনামূল্যে বিদ্যুৎ (PM Surya Ghar Yojana) দেবে কেন্দ্রীয় সরকার
কথা হচ্ছে প্রধানমন্ত্রী সূর্য ঘর বিদ্যুৎ যোজনা নিয়ে। পূর্বতন তৃণমূল সরকারের আমলে তেমন ভাবে আলোচনার জায়গা পায়নি এই প্রকল্প। তবে এবার কেন্দ্রের তরফে প্রচার শুরু হয়েছে এই প্রকল্প নিয়ে। পিএম সূর্য ঘর যোজনার আওতায় পাওয়া যাবে বিনামূল্যে বিদ্যুৎ। সোমবার এই প্রকল্পের বিষয়ে বিস্তারিত ভাবে জানান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। কেন্দ্রের তরফে জানা গিয়েছে, ৪০ লক্ষেরও বেশি পরিবার এই বিনামূল্যে বিদ্যুৎ প্রকল্পের জন্য রেজিস্ট্রেশন করেছে। প্রতিদিন প্রায় ১২ হাজারেরও বেশি মানুষ আসছেন পিএম সূর্য ঘর যোজনার আওতায়।

কী সুবিধা প্রকল্পে: পিএম সূর্য ঘর যোজনা একটি প্রধান রুফটপ সোলার প্রকল্প। ২০২৪ সালে সূচনা এই প্রকল্পের। বাড়ির বিদ্যুতের বিল কমানোর সঙ্গে সঙ্গে পরিবেশবান্ধব অপ্রচলিত শক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি করা হল এই প্রকল্পের লক্ষ্য। এই প্রকল্পের আওতায় যোগ্য পরিবারগুলিকে গ্রিড সংযুক্ত ছাদের সৌর প্যানেলের মাধ্যমে প্রতি মাসে ৩০০ ইউনিট পর্যন্ত বিনামূল্যে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়। এমনকি সৌর প্যানেল বসানোর জন্য প্রাথমিক খরচও প্রদান করবে সরকার (PM Surya Ghar Yojana)। মুখ্যমন্ত্রী এদিন বলেন, প্রান্তিক মানুষ যারা বিদ্যুতের বিল দিতে পারছেন না, তারা এই প্রকল্পের সুবিধা নিতে পারবেন।
আরও পড়ুন : উত্তরবঙ্গের টিকিটের আকাল, চলে যান ‘সিক্রেট রুট’ ধরে, কনফার্ম হবেই টিকিট
কত টাকা মিলবে: মুখ্যমন্ত্রী এদিন বলেন, এই প্রকল্পের আওতায় ২ কিলোওয়াট পর্যন্ত সিস্টেম খরচের ৬০ শতাংশ, ২-৩ কিলোওয়াট অতিরিক্ত ক্ষমতার জন্য বাড়তি খরচের ৪০ শতাংশ, ৩ কিলোওয়াট সিস্টেমের জন্য সর্বোচ্চ ৭৮ হাজার টাকা ভর্তুকি দেবে সরকার।
আরও পড়ুন : জনকল্যাণ শিবিরে আয়ুষ্মান যোজনার জন্যও আবেদন, সঙ্গে অবশ্যই রাখবেন এই ৪ নথি
এই প্রকল্পে আবেদন করার জন্য প্রথমে পিএম সূর্য ঘর ন্যাশনাল পোর্টাল pmsuryaghar.gov.in এ যেতে হবে। এরপর রাজ্য, গ্রাহক নম্বর, মোবাইল নম্বর, ডিসকমের বিবরণ, ইমেল আইডি ব্যবহার করে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। লগইন করে রুফটপ সোলারের জন্য আবেদন জমা দিতে হবে। স্থানীয় ডিসকমের অনুমোদন পেলে রেজিস্টার থাকা বিক্রেতার মাধ্যমে সোলার সিস্টেমটি ইনস্টল করিয়ে নিতে হবে। এরপর নেট মিটারিংয়ের জন্য আবেদন করতে হবে। ভেরিফিকেশন ও অ্যাক্টিভের অনুমোদন পাওয়ার পর ব্যাঙ্কের বিবরণ জমা দিতে হবে। ভর্তুকির টাকা সরাসরি জমা হবে সুবিধাভোগীর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে। এছাড়াও অফলাইনে জনকল্যাণ শিবিরে গিয়েও আবেদন করা যাবে এই প্রকল্পের জন্য।













