বাংলাহান্ট ডেস্ক : সংবাদ শিরোনামে এখন শুধুই রান্নার গ্যাসের সঙ্কট। এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডারের (Liquefied Petroleum Gas) দাম যেমন বেড়েছে, তেমনই গ্যাস সিলিন্ডারের আকালও দেখা দিয়েছে। কীভাবে গ্যাসের খরচ বাঁচিয়ে রান্না করা যায় সেটাই এখন মধ্যবিত্ত গৃহস্থের সবথেকে বড় মাথাব্যথার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।
কীভাবে দেখবেন কতটা এলপিজি (Liquefied Petroleum Gas) রয়েছে সিলিন্ডারে?
বেশিরভাগ বাড়িতেই এখন এক দু পদেই রান্না সারা হচ্ছে। একটি সিলিন্ডার ফুরিয়ে গেলেই চিন্তা হচ্ছে পরেরটা সময় মতো আসবে তো? কিন্তু কতটা গ্যাস খরচ হচ্ছে, কতটাই বা বাকি রয়েছে সিলিন্ডারে তা কীভাবে বোঝা যাবে? এর জন্য রয়েছে কিছু সহজ উপায়।

কীভাবে দেখবেন কতটা গ্যাস রয়েছে: সবথেকে সহজ এবং বিশ্বাসযোগ্য পন্থা হল ভিজে কাপড় দিয়ে সিলিন্ডারের উপর থেকে নীচ পর্যন্ত ভালো করে মুছে নিতে হবে। কিছুক্ষণ অপেক্ষা করলে দেখা যাবে সিলিন্ডারের কিছুটা অংশ তাড়াতাড়ি শুকিয়ে যাচ্ছে আর বাকি অংশটা ভিজে থাকছে। এলপিজি তরল অবস্থায় থাকে, তাই এর তাপমাত্রা বাইরের পরিবেশের তুলনায় কম থাকে। তাই গ্যাস (Liquefied Petroleum Gas) ভরা অংশ ভিজে থাকবে আর বাকিটা তাড়াতাড়ি শুকিয়ে যাবে। বার্নারে আগুনের শিখার রং নীল হলে বোঝা যায় সিলিন্ডারে গ্যাস ভর্তি। আর যদি শিখার রঙ কমলা বা হলুদ হয়ে যায় তবে বুঝতে হবে গ্যাস প্রায় শেষের দিকে।
আরও পড়ুন : বর্ষার আগেই জালে উঠল কেজি কেজি পেল্লাই আকারের ইলিশ, কত দামে বিকোচ্ছে জানেন?
জেনে রাখুন সহজ উপায়: সিলিন্ডারে গ্যাস শেষের দিকে থাকলে বার্নার জ্বালালে গ্যাসের হালকা গন্ধও পাওয়া যায়। কারণ সিলিন্ডারের নীচে থাকা এলপিজি অনেক বেশি ঘনীভূত অবস্থায় থাকে। সিলিন্ডারে কতটা গ্যাস আছে বুঝতে একটি চক দিয়ে দাগ কাটতে হবে। কিছুক্ষণ পরে দেখা যাবে সিলিন্ডারের কিছুটা অংশে চকের দাগ অক্ষত রয়েছে। মানে ওই অংশটা খালি। আর যে অংশে চকের দাগ ভিজে গিয়ে উঠে যেতে শুরু করবে সেই অংশে গ্যাস ভরা।
আরও পড়ুন : বিকাশরঞ্জন-মীনাক্ষী থেকে দীপ্সিতা, রয়েছেন মৃত তমন্নার মা-ও, প্রার্থী তালিকায় চমক বামেদের
বাড়িতে ওজন মাপার যন্ত্র থাকলে তা দিয়েও পরীক্ষা করা যায়। গৃহস্থালীর গ্যাস সিলিন্ডারের ওজন হয় ১৪.২ কেজি। খালি সিলিন্ডারের ক্ষেত্রে ওজন হয় ১৫.৫ কেজি। মোট ওজন থেকে খালি সিলিন্ডারের ওজন বাদ দিলেই বোঝা যাবে কতটা গ্যাস অবশিষ্ট রয়েছে।












