অন্নপূর্ণা যোজনার স্ব-ঘোষণাপত্র কোথায় পাওয়া যাচ্ছে? কীভাবে ফিল আপ করবেন জানুন

Published on:

Published on:

How to fill up Annapurna Yojana self-declaration form explained
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ অন্নপূর্ণা যোজনায় (Annapurna Yojana) সঠিক সময় আবেদন করলেও বহু মহিলা এখনও টাকা পাননি বলে অভিযোগ। কোথাও নথিপত্রের অমিল, কোথাও তথ্যের কিছু ভুল, কোথাও আবার যান্ত্রিক সমস্যার কারণে টাকা আটকে গিয়েছে। এই সমস্যাগুলি দ্রুত দূর করতে ও আটকে থাকা আবেদনগুলির ভেরিফিকেশন সম্পূর্ণ করতে পুরসভা ও পঞ্চায়েত দফতরের তরফ থেকে নতুন স্ব-ঘোষণাপত্র (Self-Declaration) দেওয়া হয়েছে। সেগুলি কীভাবে ফিল আপ করতে হবে, কোথায় জমা করবেন জেনে নিন।

অন্নপূর্ণা যোজনার স্ব-ঘোষণাপত্র ফিল আপের পদ্ধতি | (Annapurna Yojana)

অন্নপূর্ণা যোজনার বহু যোগ্য আবেদনকারী এখনও টাকা পাননি বলে অভিযোগ। বহু মহিলার নাম, ঠিকানা, পরিচয়পত্র বা ব্যাঙ্কের তথ্যে সামান্য অমিল থাকার কারণে অ্যাকাউন্টে এখনও ৩ হাজার টাকা করে আসেনি। আবেদন আন্ডার প্রসেস বা পেন্ডিং অবস্থায় পড়ে রয়েছে। সেগুলি ফের যাচাই করে যোগ্য উপভোক্তাদের চিহ্নিত করতে নতুন স্ব-ঘোষণাপত্র জমা করতে বলা হচ্ছে।

আরও পড়ুনঃ ক্যামাক স্ট্রিট কাণ্ডে স্বস্তি পেল না তৃণমূল! অন্তর্বর্তী নির্দেশের আবেদন খারিজ করল কলকাতা হাইকোর্ট

সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, ভেরিফিকেশন সম্পন্ন হওয়ার পর আটকে থাকা বা বকেয়া টাকা দ্রুত যোগ্য আবেদনকারীদের দিয়ে দেওয়ার জন্য এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই স্ব-ঘোষণাপত্রে আবেদনকারীকে তাঁর ব্যক্তিগত, আর্থিক ও পারিবারিক বেশ কিছু তথ্য নির্ভুলভাবে দিতে হবে।

জানা গিয়েছে, নতুন এই ফর্মে আবেদনকারী মহিলার নাম, বাবা বা স্বামীর নাম দিতে হবে। পাশাপাশি পোস্ট অফিস, গ্রাম বা এলাকার নাম, সংশ্লিষ্ট থানা, পুরসভা ও গ্রাম পঞ্চায়েতের নাম দিতে হবে। এছাড়া বাবা বা স্বামী কোন পেশায় আছেন, পারিবারিক মাসিক আয়, বাড়ির ধরণ, পারিবারিক জমির পরিমাণ, সচল মোবাইল নম্বর, আধার নম্বর, ভোটার কার্ড নম্বর দিয়ে আবেদনকারীকে সই করতে হবে। সেই সই ব্যাঙ্কের রেকর্ডে থাকা সইয়ের সঙ্গে এক হতে হবে। সেই সঙ্গেই কোন দিন ফর্ম জমা দেওয়া হয়েছে, সেই তারিখও উল্লেখ করতে হবে।

এরপর অন্নপূর্ণা যোজনার পোর্টালে গিয়ে দেখতে হবে আবেদনের কী স্ট্যাটাস দেখাচ্ছে। সেখানে যে স্ট্যাটাস দেখা যাবে সেটি ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। এই ফর্মের সঙ্গে আধার কার্ড ও ভোটার কার্ডের জেরক্স জমা করতে হবে। পাশাপাশি ব্যাঙ্কের পাসবইয়ের প্রথম পাতার জেরক্সও দিতে হবে। অনলাইন আবেদন করে থাকলে বর্তমান স্ট্যাটাসের স্ক্রিনশট দেওয়া যেতে পারে। এতে ভেরিফিকেশন দ্রুত করতে সুবিধা হতে পারে।

Annapurna Yojana

এই ফর্ম ফিল হয়ে গেলে গ্রামাঞ্চলের আবেদনকারীরা স্থানীয় পঞ্চায়েত বা বিডিও অফিসে গিয়ে জমা দিয়ে দিতে পারেন। শহুরে এলাকার আবেদনকারীরা স্থানীয় পুরসভা বা ওয়ার্ড অফিসে জমা করতে পারেন। পাশাপাশি রাজ্য সরকার বা স্থানীয় প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত বিশেষ ক্যাম্প বা সহায়তা শিবিরেও এই ফর্ম জমা করা যেতে পারে।

এই ফর্ম ফিল আপের সময় কোনও রকম কাটাকুটি না করাই বাঞ্ছনীয়। পাশাপাশি একদম নির্ভুল তথ্য দেওয়া উচিত। সরকারি ভেরিফিকেশন সম্পূর্ণ হলে যোগ্য আবেদনকারী অ্যাকাউন্টে অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা পাঠিয়ে দেওয়া শুরু হতে পারে।