বাড়ি বসেই পেয়ে যান বার্থ সার্টিফিকেটের ডুপ্লিকেট কপি! কী কী নথি দরকার, সঠিক পদ্ধতি জানুন

Published on:

Published on:

How to make duplicate Birth Certificate easy process explained
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ প্রযুক্তির এই যুগে বহু গুরুত্বপূর্ণ নথির অনলাইনে ডিজিটাল কপি বানিয়ে নেওয়া যায়। বার্থ সার্টিফিকেটও (Duplicate Birth Certificate) ব্যতিক্রম নয়। এখন কারোর বার্থ সার্টিফিকেটের (Birth Certificate) হার্ড কপি অথবা সফট কপি হারিয়ে গেলে খুব সহজে বাড়ি বসে ডুপ্লিকেট কপি বানিয়ে নিতে পারেন। এর জন্য খরচ যেমন নামমাত্র, তেমনই সময়ও বিশেষ লাগে না।

বার্থ সার্টিফিকেটের ডুপ্লিকেট কপি কীভাবে বানাবেন? | (Duplicate Birth Certificate)

সাধারণত দেশের প্রায় সব জায়গাতেই এলাকার মানুষের বার্থ সার্টিফিকেটের রেকর্ড স্থানীয় প্রশাসনের কাছে থাকে। ফলে স্থানীয় পুরসভা বা কর্পোরেশনের কাছে যদি এই রেকর্ড থাকে তাহলে পরবর্তীতে খুব সহজেই তার মাধ্যমে ডুপ্লিকেট কপি বানিয়ে নেওয়া সম্ভব। অনলাইন ও অফলাইন দু’ভাবেই এই কাজ করা যায়।

আরও পড়ুনঃ বাড়ি বদলালে LPG কানেকশন কীভাবে ট্রান্সফার করবেন? কী কী নথি লাগে, সহজ পদ্ধতি জানুন

বার্থ সার্টিফিকেটের ডুপ্লিকেট কপি বানাতে হলে প্রথমে স্থানীয় পুরনিগম বা পুরসভার ওয়েবসাইটে যেতে হবে। সেখানে গিয়ে দেখতে হবে এর জন্য অনলাইন পরিষেবা রয়েছে কিনা। অনলাইনে আবেদনের সুযোগ থাকলে নির্দিষ্ট ফর্ম ফিল আপ করতে হবে ও প্রয়োজনীয় নথিপত্র আপলোড করতে হবে। নাহলে ভরসা অফলাইন।

বার্থ সার্টিফিকেটের ডুপ্লিকেট কপি বানানোর জন্য প্রয়োজনীয় নথিপত্র

বার্থ সার্টিফিকেটের ডুপ্লিকেট কপি বানাতে হলে আবেদনকারীর পরিচয় ও জন্মের রেকর্ড সংক্রান্ত তথ্য যাচাই করার প্রয়োজন হতে পারে। পাশাপাশি স্থানীয় কর্তৃপক্ষের নিয়ম অনুসারে নথি তালিকাতেও কিছু বদল হতে পারে। সাধারণত আবেদনকারীর কোনও একটি পরিচয়পত্র, জন্মের রেকর্ড সংক্রান্ত তথ্য ও পাসপোর্ট সাইজ ছবি দরকার হয়। তবে একবার স্থানীয় পুরসভা বা পুরনিগমের নিয়ম নিশ্চিত করে জেনে নেওয়া উচিত।

আবেদনের পর অনলাইনে নির্দিষ্ট ফি জমা করতে হয়। জায়গা ভেদে এই খরচ আলাদা হতে পারে। তবে এই প্রক্রিয়ার জন্য খুব একটা টাকা লাগে না। সাধারণত ৫০ টাকা থেকে ১০০ টাকা মতো খরচ হতে পারে বলে জানা গিয়েছে।

Duplicate Birth Certificate

এছাড়া বার্থ সার্টিফিকেটের ডুপ্লিকেট কপির জন্য স্থানীয় পুরসভা বা পুরনিগমে গিয়েও আবেদন করা যেতে পারে। আবেদনপত্র পূরণ করে প্রয়োজনীয় নথি সহযোগে তা জমা করতে হয়। কিছু কিছু ক্ষেত্রে আবার অনলাইনে ফর্ম ফিল আপ করলেও তার প্রিন্ট আউট নিয়ে নির্দিষ্ট অফিসে জমা করতে হয়। ফলে স্থানীয় পুরসভা বা পুরনিগমের সঠিক নিয়ম জেনে নেওয়া অত্যন্ত জরুরি।

যে কোনও ভারতীয় নাগরিকের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি নথি হল বার্থ সার্টিফিকেট। বিভিন্ন কাজে এটি দরকার হয়। তাই কোনও ভাবে এটি হারিয়ে ফেললে সহজেই অনলাইন বা অফলাইনে ডুপ্লিকেট কপি বানিয়ে নিতে পারেন।