বাংলা হান্ট ডেস্ক : মাসে ১,৫০০ টাকার বদলে ৩,০০০ টাকা অন্নপূর্ণা যোজনার ভাতা পেতে পারেন বিধবা ভাতা প্রাপকরা। ২৫ থেকে ৬০ বছর বয়সি বিধবা ভাতা প্রাপকরা চাইলে সেই সুবিধা ছেড়ে অন্নপূর্ণা যোজনার আবেদন করতে পারবেন। তবে এর জন্য পুরনো ভাতা বন্ধ করার আবেদন জানানো প্রয়োজন। নবান্ন থেকে ভাতা সংক্রান্ত ঘোষণার সময়ই বিষয়টি সামনে আনেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
বিধবা ভাতা প্রাপকদের অন্নপূর্ণা যোজনার (Annapurna Yojana) টাকা পেতে কী করতে হবে?
মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, ২৫ থেকে ৬০ বছর বয়সি বিধবা ভাতা প্রাপকেরা অন্নপূর্ণা যোজনার জন্য আবেদন করার কথা বিবেচনা করতে পারেন। বর্তমানে বিধবা ভাতার পরিমাণ ১,৫০০ টাকা হওয়ায় অন্নপূর্ণা যোজনা প্রকল্পে গেলে মাসিক প্রাপ্তির অঙ্ক দ্বিগুণ হতে পারে। যদিও এই সুবিধা কার্যকর করার বিস্তারিত সরকারি নির্দেশিকা এখনও প্রকাশ্যে আসেনি। তবুও বিষয়টি নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশাসনিক স্তরে খোঁজখবর শুরু হয়েছে।
বিভিন্ন জেলার ব্লক দফতরে গিয়ে সম্ভাব্য উপভোক্তারা জানতে চাইছেন, কীভাবে আগের প্রকল্প থেকে নাম বাদ দিয়ে নতুন ভাতার জন্য আবেদন করা যাবে। প্রক্রিয়াটি শুরু করতে সংশ্লিষ্ট ব্লকের বিডিও-র কাছে লিখিত আবেদন জানানো যেতে পারে। সেই আবেদনে বিধবা ভাতা আর না নেওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করে অন্নপূর্ণা যোজনার সুবিধা পাওয়ার ইচ্ছার কথা জানাতে হবে। এরপর ব্লক প্রশাসনের তরফে আবেদনটি জেলা স্তরে পাঠানো হবে এবং পরবর্তী পদক্ষেপ সেখান থেকেই নেওয়া হবে। পুরসভা এলাকার বাসিন্দাদের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট পুরসভায় যোগাযোগ করার সুযোগ রয়েছে।
তবে একই ব্যক্তির নামে একাধিক সামাজিক ভাতা চালু রাখার নিয়ম নেই। অর্থাৎ বিধবা ভাতা চালু রেখে একই সঙ্গে অন্নপূর্ণা যোজনার ৩,০০০ টাকা নেওয়া যাবে না। পুরনো সুবিধা বন্ধ করার পরই নতুন প্রকল্পের জন্য আবেদন করার বিষয়টি প্রযোজ্য হবে।
এর মধ্যেই অবশ্য একটি বিশেষ ছাড়ের কথা জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। দিব্যাঙ্গ ভাতা প্রাপকরা নিজেদের দিব্যাঙ্গ ভাতা বজায় রেখেই অন্নপূর্ণা যোজনার সুবিধার জন্য আবেদন করতে পারবেন। ফলে যোগ্য হলে দুই প্রকল্প মিলিয়ে তাঁদের মাসিক প্রাপ্তির পরিমাণ দাঁড়াতে পারে ৪,৫০০ টাকা।

আরও পড়ুন : বাড়ি বসেই পেয়ে যান বার্থ সার্টিফিকেটের ডুপ্লিকেট কপি! কী কী নথি দরকার, সঠিক পদ্ধতি জানুন
প্রসঙ্গত, বিধবা ভাতা থেকে অন্নপূর্ণা যোজনায় যাওয়ার ক্ষেত্রে সরাসরি টাকা বাড়ানোর কোনও স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা নেই। আগের প্রকল্পের সুবিধা বন্ধ করার জন্য আবেদন এবং নতুন প্রকল্পে অন্তর্ভুক্তির প্রক্রিয়া গুরুত্বপূর্ণ। সরকারি নির্দেশিকা প্রকাশিত হলে আবেদনপদ্ধতি, প্রয়োজনীয় নথি এবং অন্যান্য শর্ত আরও স্পষ্ট হবে।













