বাংলা হান্ট ডেস্কঃ পুজোর বোনাস না পাওয়ার অভিযোগে অনির্দিষ্টকালের জন্য ফেরি সার্ভিস (Ferry Service) বন্ধ হয়েছিল। মন্ত্রীর আশ্বাসে দূর হল সেই সমস্যা। ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই ফের চালু হয়ে গেল হাওড়া-কলকাতা ফেরি (Howrah-Kolkata Ferry) পরিষেবা। ফলে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছেন নিত্যযাত্রী থেকে শুরু করে কলকাতায় ঠাকুর দেখতে আসা দর্শনার্থীরা।
মন্ত্রীর আশ্বাসে ফের চালু হাওড়া-কলকাতা ফেরি পরিষেবা | (Howrah-Kolkata Ferry)
বুধবার দুপুর থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য ফেরি সার্ভিস বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন হুগলি নদী জলপথ পরিবহণ সমবায় সমিতি লিমিটেডের কর্মীরা। ফলে সেদিন দুপুর থেকেই হাওড়া কলকাতা সহ মোট ১৬টি রুটের ফেরি চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। চতুর্থীর দিন ফেরি ধরতে এসে চরম ভোগান্তির মুখে পড়েন বহু যাত্রী।
আরও পড়ুনঃ ‘স্টল না বলে প্রদর্শনী বলুন, বিক্রি তো হয় না’! বুকস্টল বিতর্কে সিপিএমকে খোঁচা দিলীপের
এরপর সমস্যা সমাধানে এগিয়ে আসেন রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন দফতরের রাষ্ট্রমন্ত্রী তথা উত্তর হাওড়ার বিধায়ক উমেশ রাই। বৃহস্পতিবার সকালে হাওড়ায় তাঁর অফিসে হুগলি নদী জলপথ পরিবহণ সমবায় সমিতি লিমিটেডের কর্মীদের সঙ্গে আলোচনায় বসেন তিনি।
সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে কথা বলে কর্মীদের বকেয়া সহ দাবিদাওয়া মিটিয়ে দেওয়ার আশ্বাস দেন উমেশ। এরপরেই ফের ফেরি সার্ভিস চালু করেন কর্মীরা। ফলে বৃহস্পতিবার দুপুর থেকে গঙ্গায় লঞ্চ পরিষেবা আবার স্বাভাবিক হয়ে যায়।
এই বিষয়ে চন্দন ভৌমিক নামে নাজিরগঞ্জ ফেরিঘাটের এক কর্মী বলেন, “মন্ত্রী উমেশ রাই আমাদের দাবিদাওয়া শুনেছেন। উনি আমাদের পাওনা টাকা মিটিয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন। পাশাপাশি পুজোর সময় ফেরি পরিষেবা চালু রাখার অনুরোধও করেছেন। তাঁর সেই অনুরোধকে সম্মান দিয়ে আমরা কর্মবিরতি তুলে ফের লঞ্চ পরিষেবা চালু করলাম।“

বুধবার দুপুর থেকেই হাওড়া-চাঁদপাল, রামকৃষ্ণপুর-চাঁদপাল রুটে ফেরি চলাচল বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। পাশাপাশি হাওড়া থেকে শোভাবাজার, আহিরীটোলা, বাগবাজার, আর্মেনিয়াম রুট সহ আরও বেশ কয়েকটি রুটেও লঞ্চ পরিষেবা বন্ধ করে দেওয়া হয়।
ফলে নিত্যযাত্রীদের পাশাপাশি জেলা থেকে কলকাতা বা হাওড়ায় ঠাকুর দেখতে আসা দর্শনার্থীরাও সমস্যায় পড়েছিলেন। অবশেষে মন্ত্রীর হস্তক্ষেপে একদিনের মধ্যেই দূর হল সেই সমস্যা।














