বাংলা হান্ট ডেস্ক: সদ্য পেশ হলো কেন্দ্রীয় বাজেট(Budget 2026)। ২০২৬-এর এই বাজেটে বৈদ্যুতিক যন্ত্র তৈরির খাতে সরকার খরচ দ্বিগুণ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আগে এই খাতে খরচ হতো ২৩ হাজার কোটি টাকা। এখন সেই জায়গায় খরচ করা হবে ৪০ হাজার কোটি টাকা।
বাজেটে(Budget 2026) ইলেকট্রনিক্স খাতে বাড়তি বিনিয়োগ
২০২৬ এর বাজেট ঘোষণার পর আশা করা হচ্ছে, দাম কমতে পারে ইলেকট্রনিক্স গ্যাজেটের। যেমন এসি, ফ্রিজ, মাইক্রোওভেন, টোস্টার, টিভি ইত্যাদির দাম কমতে পারে। শুধু তাই নয় স্মার্টফোনও সস্তা হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। বাজেট বক্তৃতায় কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন জানিয়েছেন যে ২০২৫ সালের বাজেটে ২২ হাজার ৯১৯ কোটি টাকা ইলেকট্রনিক্স কম্পোনেন্ট ম্যানুফ্যাকচারিং স্কিম এর ক্ষেত্রে খরচ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু এবার এই প্রকল্পের জন্যে বাজেটে চল্লিশ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করা হচ্ছে।
এই বিনিয়োগের ফলে প্রোডাকশন বৃদ্ধি পাবে বলে মনে করছে কেন্দ্রীয় সরকার। আর যদি তা হয়, তাহলে সত্যিই সেটা বড় খবর হবে দেশের জন্য। এই বিনিয়োগের ফলে প্রায় ৪.৫৬ লক্ষ কোটি টাকার প্রোডাকশন বৃদ্ধি পাবে। এই ইলেকট্রনিক্স গ্যাজেটগুলির শুধু দাম কমানো নয়, আরও একটা অন্য দিক রয়েছে। ইলেকট্রনিক্স কম্পোনেন্টগুলি তৈরীর ক্ষেত্রে সরকার বিরাট ব্যয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ফলে এই সেক্টরের উন্নতি হবে। এতে বিরাট কর্মসংস্থান হওয়ার সম্ভাবনা থাকছে। তাতে যুব সমাজের উন্নতি হবে, তারা আরো এগিয়ে যাবে।
আরও পড়ুন:গুলি–বোমা কাণ্ডে তোলপাড় শহর! গোলপার্কে কড়া অ্যাকশন, পুলিশের তল্লাশিতে গ্রেফতার ১০
সরকার চাইছে এই ইলেকট্রনিক্স কম্পোনেন্ট বা বৈদ্যুতিক যন্ত্র তৈরি বাজার আরো বাড়াতে। আরো বেশি সংখ্যক সামগ্রী তৈরি করতে চাইছে সরকার। এই খাতে তাই তারা টাকা ঢালার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যে সকল ইলেকট্রনিক পার্টস গুলি, এই প্রকল্পের সুবিধা পাবে সেগুলি হল, ক্যাপাসিটর, রেজিস্টার, ফেরিটস, লিথিয়াম সেল এনক্লোজার, প্রিন্টেড সার্কিট বোর্ড অ্যাসেম্বলি, সাব অ্যাসেম্বলি ক্যামেরা মডিউল, ডিসপ্লে মডিউল ইত্যাদি।
আরও পড়ুন:সিন্ডিকেট যুদ্ধ নাকি পরিকল্পিত হামলা? গোলপার্কে ভয়াবহ তাণ্ডব দুষ্কৃতিদের, বোমা-গুলিতে রক্তাক্ত এলাকা

এই যন্ত্রগুলি মূলত ল্যাপটপ, এসি, রেফ্রিজারেটর, টোস্টার ইত্যাদি তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। স্মার্ট ফোন তৈরিতেও এগুলি ব্যবহার করা হয়। তাই আশা করা হচ্ছে এই সকল গ্যাজেটের দাম কমতে পারে। অন্তত বাজেটে অধিবেশনের পর ইলেকট্রনিক্স খাতের উন্নতিতে সরকারের সদিচ্ছা দেখে সেরকমই ধারণা করা হচ্ছে।











