বাংলা হান্ট ডেস্ক: বেঙ্গালুরুর ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ সায়েন্স নিয়ন্ত্রিত ফাউন্ডেশন ফর সায়েন্স ইনোভেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট এর সঙ্গে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করল ভারতীয় বায়ু সেনা(Indian Air Force)। এই চুক্তি হয়েছে মূলত একটি এয়ার ব্রেথিং প্রোপালশন সিস্টেম নামক ইঞ্জিন প্রযুক্তির জন্য। এটি একটি অভিনব প্রযুক্তি যা আত্মস্থ হলে জাতীয় প্রতিরক্ষায়, আত্মনির্ভরতার ক্ষেত্রে এক নতুন দিক উন্মোচন করবে ভারত।
নতুন প্রযুক্তির চুক্তি স্বাক্ষর ভারতীয় বায়ুসেনার (Indian Air Force):
সামরিক পরিভাষায় এয়ার ব্রেথিং প্রপোলশন সিস্টেম আসলে যুদ্ধবিমান বা দূরপাল্লার হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রের সক্ষমতা বাড়াবার এক অন্যতম সেরা প্রযুক্তি। আর ক্ষেপণাস্ত্রের সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্যই এই চুক্তি স্বাক্ষর করল ভারতীয় বায়ু সেনা। এই প্রযুক্তির দ্বারা জ্বালানি দহনের জন্য বায়ুমন্ডলের অক্সিজেন ব্যবহার করতে পারে যুদ্ধবিমান, রকেটের মতো আলাদা অক্সিজেন বহন করার প্রয়োজন পড়বে না।
এই হাইপারসনিক প্রপোলশন প্রযুক্তি আমেরিকা রাশিয়া চীনের মত উন্নত দেশ গুলির হাতে ছিল এতদিন। এই প্রযুক্তি আত্মস্থ হলে জাতীয় প্রতিরক্ষার ক্ষেত্রে ভারত অনন্য অবদান রাখতে চলেছে। এমনিতে যুদ্ধবিমান হালকা হয়, এই প্রযুক্তি ব্যবহার হবে যুদ্ধ বিমান গুলিতে। সাধারণ রকেটে নিজস্ব অক্সিডাইজার অর্থাৎ অক্সিজেন সরবরাহকারী ব্যবস্থা থাকে সেখানে এই ব্রেথিং সিস্টেম লাগেনা।
আরও পড়ুন:অষ্টম পে কমিশনে কতটা বাড়বে বেতন? ফিটমেন্ট ফ্যাক্টর নিয়ে বড় আপডেট জানুন
হাইপারসনিক বিমান হল শব্দের চেয়ে পাঁচ গুণ বা তার বেশি গতিবেগ সম্পন্ন বিমান। সেই বিমানে এই প্রযুক্তি ব্যবহার করলে পেলোড অর্থাৎ বিস্ফোরক বা অস্ত্র বহন ক্ষমতা বাড়বে। এই প্রযুক্তি ভারতকে প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে এক নতুন দিশা দেবে।
আরও পড়ুন:ভারত-EU বাণিজ্যচুক্তিতেই হল বাজিমাত! লাফিয়ে বাড়বে দার্জিলিং চায়ের রপ্তানি, খুশি বণিকমহল

যেহেতু এই বিমানে আলাদা করে অক্সিজেন বহন করতে হয় না, ফলে এর ওজন সাধারণ রকেটের তুলনায় কম হয়। এই প্রযুক্তি উন্নত দেশগুলোর সাথে ভারতকে পাল্লা দিতে সাহায্য করব। এই প্রযুক্তি ব্যবহারে প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে ভারত আরো শক্তিশালী হয়ে উঠবে।











