বাংলার রেল মানচিত্র বদলাতে পারে এই বৈঠক, মুখোমুখি শুভেন্দু অধিকারী ও অশ্বিনী বৈষ্ণব

Published on:

Published on:

Indian Railways initiatives taken to accelerate the railway project by overcoming complexities
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্ক: গণপরিবহনের অন্যতম মাধ্যম হল ট্রেন (Indian Railways)। যাতায়াত করার জন্য মানুষ সাধারণত এই ট্রেনের ওপরই নির্ভর করে থাকেন। আর এবার বাংলার রেল যোগাযোগ ব্যবস্থা আস্তে চলেছে বড় বিপ্লব। যারা যায় গত ১৫ বছর ধরে রাজ্যে থমকে ছিল দেশটির বেশি রেল প্রকল্প। তবে এবার সেই সমস্ত সকল প্রকল্প বাস্তবায়িত হতে চলেছে।

রেল প্রকল্পে ছাড় মিলতে পারে, মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনায় রেলমন্ত্রীর (Indian Railways)

জানা যায়, রাজ্যে সরকার বদলের পর বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গে রয়েছে বিজেপি সরকার। আর এই রাজ্যের ডবল ইঞ্জিন সরকার গঠন হওয়ার পর শনিবার নবান্নে আসছেন রেলমন্ত্রী। ঐদিন লাল ফিতে ফাঁসে আটকে থাকা সমস্ত প্রকল্পগুলি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কেন্দ্রীয় রেল মন্ত্রীর ম্যারাথন বৈঠক হবে। পাশাপাশি এই বৈঠকে পূর্ব রেল, দক্ষিণ পূর্ব রেল ও নট ফ্রন্টিয়ার রেল এবং কলকাতা মেট্রো রেলের জেনারেল ম্যানেজারসহ শীর্ষ আধিকারিকেরা বৈঠকে হাজির থাকবেন (Indian Railways)।

Indian Railways initiatives taken to accelerate the railway project by overcoming complexities

আরও পড়ুন: চাকলাধাম যাত্রা হবে আরও সহজ, নতুন রেলপথ প্রকল্পে মিলল বড় সুখবর

এছাড়াও এই কাজ জমি জটে আটকে রয়েছে। বহু ক্ষেত্রে পরিকাঠামো উন্নয়নে রাজ্য সরকারের অর্থ বরাদ্দ বন্ধ ছিল। স্থানীয় প্রশাসনের তরফেও রেলের সঙ্গে চূড়ান্ত অসহযোগিতা করা হয়েছে। এসব কারণে সারা দেশে রেলের উন্নয়নের সঙ্গে তাল মেলাতে পারেনি বাংলা। রেল ওভারব্রিজ, সেতু, আন্ডারপাস, স্টেশনের পরিকাঠামো সংস্কারের কাজ পুরোপুরি থমকে গিয়েছিল।

যদিও রেলের তরফে মমতা বন্দ্যেপাধ্যায়ের কাছে বিভিন্ন কাজের অনুমোদন চেয়ে প্রায় প্রতি সপ্তাহে চিঠি আসত। নবান্নের শীর্ষ মহলের নির্দেশে সেই চিঠির উত্তর দেওয়া তো দূরের কথা, প্রাপ্তি স্বীকার পর্যন্ত করা হত না। তবে বর্তমানে কেন্দ্র ও রাজ্যে বিজেপি পরিচালিত সরকার। বাংলার মানুষ এবার তারই সুফল পেতে শুরু করবেন।

এছাড়াও শনিবারের বৈঠকে যাত্রীবাহী ট্রেনকে গুরুত্ব দেওয়ার পাশাপাশি পণ্য পরিবহণকেও অগ্রাধিকারের তালিকায় রাখা হচ্ছে। ডানকুনি-সুরাত ফ্রেইট করিডর নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে। ২ হাজার ১০০ কিলোমিটার দীর্ঘ এই পণ্য পরিবহণ রেলপথ তৈরি হয়ে গেলে বাংলার শিল্প মানচিত্রে বিরাট ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে মনে করা হচ্ছে (Indian Railways)।