বাংলা হান্ট ডেস্ক: গণপরিবহনের অন্যতম মাধ্যম হল ট্রেন। এক স্থান থেকে অন্য স্থানে যাওয়ার জন্য মানুষ ট্রেনের ওপর ভরসা করে থাকেন। এবার যাত্রীদের দিল্লিগামী দূর পাল্লা ট্রেন ধরার জন্য আর মালদড় শহরে যেতে হবে না (Indian Railways)। দীর্ঘদিনের প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে, মালদহ জেলার গাজোল রেল স্টেশনে জুড়ল রাজধানীর গাড়ি। পূর্ব রেলের ডিভিশনের অন্তর্গত এই স্টেশনে এবার থেকে থামবে ফারাক্কা এক্সপ্রেস।
মালদহবাসীদের জন্য স্বস্তির খবর গাজোল স্টেশনে দিল্লিগামী ট্রেনে নতুন স্টপেজ (Indian Railways)
এই ট্রেন স্টপেজ পাওয়ার ফলে যথেষ্ট খুশি হয়েছেন মালদার বাসিন্দারা। পাশাপাশি সবুজ পতাকা দেখিয়ে স্টপেজের আনুষ্ঠানিক সূচনা করা হয়। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উত্তর মালদহের সাংসদ খগেন মুর্মু সহ রেল আধিকারিকরা (Indian Railways)।

আরও পড়ুন: গরম গরম খাস্তা হিংয়ের কচুরি বাড়িতে বানানোর সহজ পদ্ধতি জানুন
দীর্ঘদিন ধরে গাজোলবাসীর দাবি ছিল, বালুরঘাট-ভাটিণ্ডাগামী ফারাক্কা এক্সপ্রেসের গাজোল স্টেশনে স্টপেজ দিতে হবে। স্থানীয়দের সেই দাবি রেলমন্ত্রকের কাছে তুলে ধরেন সাংসদ। তারপর শেষমেশ সেই দাবি মেনে স্টপেজ চালু হওয়ায় স্বস্তি নেমেছে এলাকায়। যদিও এর আগে এই ট্রেনটি মালদহ টাউন রেল স্টেশন থেকে চলাচল করত। পরে রুট পরিবর্তন হয়ে বালুরঘাট থেকে যাত্রা শুরু হয়।
সূত্রের খবর, গাজোলবাসী স্টপেজের দাবি জোরদার করেন।রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, ট্রেন নম্বর ১৫৭৪৩ বালুরঘাট-ভাটিণ্ডা ফারাক্কা এক্সপ্রেস সপ্তাহে চারদিন রবিবার, মঙ্গলবার, বুধবার ও শুক্রবার সন্ধ্যা ৬:৩ মিনিটে গাজোলে এসে ৬:৫ মিনিটে রওনা দেবে। অপরদিকে ট্রেন নম্বর ১৫৭৪৪ ভাটিণ্ডা-বালুরঘাট ফারাক্কা এক্সপ্রেস সপ্তাহে চারদিন রবিবার, মঙ্গলবার, বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার সকাল ১০:৩৫ মিনিটে গাজোলে পৌঁছে ১০:৩৭ মিনিটে ছাড়বে।
এই বিষয়ে সাংসদ খগেন মুর্মু জানান, “এতদিন দিল্লি ও উত্তর ভারতে যেতে হলে গাজোলবাসীকে প্রায় ৩২ কিলোমিটার দূরে মালদহ শহরে গিয়ে ট্রেন ধরতে হত। এখন সেই ভোগান্তির অবসান হল।” নতুন স্টপেজে পাওয়ায় আর মালদহ শহরে গিয়ে ট্রেন ধরতে হবে না, বহু মানুষকে (Indian Railways)।












