বাংলাহান্ট ডেস্ক : টেলিপাড়ায় বদলাচ্ছে সিরিয়ালের (Serial) ধরণ। টিআরপির সঙ্গে পাল্লা দিয়ে দর্শকদের পছন্দ মতো পরিবর্তন করা হচ্ছে গল্পের ধরণ। দীর্ঘদিন কোনও সিরিয়াল সম্প্রচারিত হলেও ধীরে ধীরে আগ্রহ হারিয়ে ফেলছেন দর্শক। তাই ভিন্ন ধরণের ধারা নিয়ে আসার চেষ্টা করছেন নির্মাতারা।
ভোলেবাবা সিরিয়ালে (Serial) এসেছে বড় বদল
সম্প্রতি স্টার জলসার ‘ভোলেবাবা পার করেগা’ সিরিয়ালে এসেছে বড়সড় রদবদল। শুরু হওয়ার ছয় মাসের মধ্যেই শেষ হয়েছে প্রথম কাহিনি। নীল মধুমিতার কাহিনি শেষে এবার শুরু হয়েছে দ্বিতীয় পর্ব। হিন্দি সিরিয়ালে এমন গল্পের ধারা আগেই দেখেছে দর্শক। বাংলা সিরিয়ালে এই নতুন ধারা কি লাভজনক হবে ইন্ডাস্ট্রির জন্য?

কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা: প্রযোজক সুশান্ত দাসের মতে, ছোটগল্প দর্শকদের বরাবরের প্রিয়। কারণ একটানা চার বছর ধরে কোনও ধারাবাহিক সম্প্রচারিত হলে একঘেয়েমি তৈরি হয়। এইভাবে গল্প ভাঙতে শুরু করলে ভবিষ্যতে লাভ হবে বলেই তাঁর মনে হয়।
আরও পড়ুন : ‘বন্দেমাতরম’ নিয়ে নয়া বিজ্ঞপ্তি কেন্দ্রের, কলকাতা হাইকোর্টে দায়ের জনস্বার্থ মামলা
কী বলছেন অভিনেতারা: অন্যদিকে অভিনেতা সৌরভ চক্রবর্তী বলেন, একটি চরিত্র দর্শকদের মনে জায়গা করে নেওয়ার পর হঠাৎ সেই চরিত্রটিকে সরিয়ে দিলে দর্শকদের মনে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। তবে চিত্রনাট্যের পটভূমি সম্পূর্ণ বদলে ফেললে নতুন করে আগ্রহ জন্মায় দর্শকদের মনে। এর আগে অনুরাগের ছোঁয়া সিরিয়ালে (Serial) আবার চরিত্র প্রায় এক রেখে প্রজন্মের কাহিনি বদলানো হয়েছিল।
আরও পড়ুন : ভিক্টোরিয়া মেট্রোর কাজ শেষ হতে আর কতদিন? অগ্রগতি খতিয়ে দেখলেন RVNL প্রধান
তবে এমন অনেক সিরিয়াল রয়েছে যা বছরের পর বছর ধরে সম্প্রচারিত হয়েছে। দর্শকরা দেখেছেন আগ্রহ নিয়ে। ‘নিম ফুলের মধু’, ‘কে আপন কে পর’ এর মতো সফল সিরিয়ালের অভিনেত্রী পল্লবী শর্মার মতে, আগামীতে পরিচালক প্রযোজকরা ভিন্ন ভাবে ভাবতে শুরু করলে ইন্ডাস্ট্রির সার্বিক ভাবে লাভ হবে।













