কালিপুজোয় ফানুস ওড়াতে লাগবে দমকলের অনুমতি, অভিযোগ জানানোর হেল্পলাইন চালু করল প্রশাসন

Published on:

Published on:

Permission from Fire Department needed for Fanush this Kalipuja Diwali Firecracker Rules
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ দুর্গাপুজো শেষ হতেই দীপাবলির কাউন্টডাউন শুরু হয়ে গিয়েছে। আগামী ৮ই নভেম্বর কালীপুজো (Kalipuja)। প্রতিবছর কালীপুজো এলেই বাজি থেকে শুরু করে শব্দবাজি নিয়ে একাধিক নিষেধাজ্ঞা (Firecracker Rule) জারি করা হয়। এবছরেও এর অন্যথা হল না। সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা ও পরিবেশ রক্ষার কথা মাথায় রেখে বেশ কিছু নিয়ম সহ প্রাক-দীপাবলি নির্দেশিকা জারি করল রাজ্য সরকার। যেখানে বাজি ফাটানোর সময় যেমন বেঁধে দেওয়া রয়েছে তেমনি বেশ কিছু নিষেধাজ্ঞাও জারি হয়েছে। যার মধ্যে রয়েছে ফানুস (Fanush) ওড়ানোও।

ফানুস ওড়াতে নিতে হবে দমকলের পারমিশন!

সাধারণত সন্ধ্যে থেকেই বাজি পোড়ানো শুরু হয়ে যায়। অনেকে আবার রাত্রি বেলা এমনকি মাঝরাত্রে বাজি ফাটান। তবে এবার নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছে রাত্রি ৮টা থেকে ১০ টা অবধি বাজি ফাটানো যাবে। এরপর আর নয়। এছাড়া ছোটপুজোর দিন সকালে ৬টা থেকে রাত্রি ৮টা অবধি বাজি ফাটানোর অনুমতি প্রতিদান করা হয়েছে।

এবছর কালীপুজোয় বাজি পোড়ানো হবে ঠিকই তবে ‘সাইলেন্স জোন’ থাকবে বলে আগেই জানিয়েছিলেন রাজ্যের স্বরাষ্ট্রসচিব সংঘমিত্রা ঘোষ। স্কুল, কলেজ থেকে শুরু করে হাসপাতালের ১০০ মিটারের মধ্যে নীরবতা বজায় রাখতে হবে  যে কারণে কোনো রকমের বাজি ফাটানো সম্পূর্ণভাবে নিষেধ। এছাড়া বেআইনিভাবে বাজি বিক্রি কিংবা নিষিদ্ধ বাজি বাজারে বিক্রি হচ্ছে কি না দেখার জন্যই প্রশাসনিক নজরদারি চলবে বলেও জানানো হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ ‘জেলে যাবেই’ বারুইপুরের সভা থেকেই বড় ইঙ্গিত শুভেন্দু অধিকারীর

যে সমস্ত এলাকায় বা বাজারে বাজি বিক্রি হচ্ছে সেখানে পুরসভা থেকে শুরু করে প্রশাসনের আধিকারিকেরা নিরাপত্তা নিশ্চিত করবেন। এছাড়া বিভিন্ন জায়গায় আগুন নেভানোর ব্যবস্থা থেকে শুরু করে অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা রাখা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে।

পরিবেশমন্ত্রী ও ডিজি জানান, এবছর ফানুস ওড়ানো নিয়ে বিশেষ কড়াকড়ি পুলিশ ও দমকল বিভাগে। অনুমতি ছাড়া ফানুস ওড়ানো অবৈধ। তাই যদি কেউ ফানুস ওড়াতে চাই তাহলে তার জন্য দমকল থেকে আগেই অনুমতি বা লাইসেন্স নিতে হবে বলে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে এ .

পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে পরিবেশমন্ত্রী নিজেই শুক্রবার পরিদর্শনে এসেছিলেন। এরপর তিনি বলনে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই বাজি ফাটাতে হবে। অন্যথ্যায় বাজি নিয়ে যে কোনো অভিযোগ জানানোর জন্য রাজ্য সরকারের তরফ থেকে হেল্পলাইন চালু করা হয়েছে। সেখানে ফোন করে অভিযোগ করলেই দ্রুত অ্যাকশন নেওয়া হবে।