বাংলা হান্ট ডেস্কঃ ভোটের আর বেশি দেরি নেই। তার আগেই কলকাতার বিভিন্ন জায়গায় হঠাৎ করেই বিপুল পরিমাণ নগদ টাকা উদ্ধার (Kolkata Cash Recovery) হওয়ায় প্রশাসনের কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে। একাধিক জায়গায় তল্লাশি চালিয়ে পুলিশ ও নির্বাচন কমিশনের নজরদারি দল যে পরিমাণ টাকা পেয়েছে, তাতে প্রশ্ন উঠছে এই টাকা কোথা থেকে এল, আর ভোটের সঙ্গে এর কোনও যোগ রয়েছে কি না।
কোথায় কোথায় থেকে টাকা উদ্ধার (Kolkata Cash Recovery)?
প্রথম ঘটনাটি ঘটে ওয়াটগঞ্জ থানার এলাকায়। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে ফ্লাইং স্কোয়াড টিম মৃন্ময় মৃধার নেতৃত্বে অভিযান চালায়। সঙ্গে ছিলেন এএসআই ডি কে রায় এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা। তল্লাশির সময় নীরজ কুমার গুপ্ত নামে এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়। তিনি ঝাড়খণ্ডের বাসিন্দা। তাঁর কাছ থেকে ২ লক্ষ ১৮ হাজার টাকা উদ্ধার হয়। তবে টাকার কোনও বৈধ নথি না থাকায় পুরো অর্থ বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে (Kolkata Cash Recovery)।
দ্বিতীয় ঘটনা ঘটে, ঠাকুরপুকুর থানার জোঁকা ট্রাম ডিপোর কাছে স্ট্যাটিক সার্ভেইল্যান্স টিম একটি সাদা রঙের আরটিগা গাড়ি থামায়। গাড়িতে পাঁচ জন ছিলেন। তাদের কাছে থাকা একটি ব্যাগে তল্লাশি চালিয়ে ৫ লক্ষ টাকা উদ্ধার হয়, যা ৫০০ টাকার ১০টি বান্ডিলে রাখা ছিল। এই টাকার মালিকানা বা উৎস সম্পর্কে কোনও স্পষ্ট নথি দেখাতে পারেননি গাড়িতে থাকা ব্যক্তিরা।
তৃতীয় ঘটনাটি ঘটে ১৫৮ নম্বর পোর্ট বিধানসভা কেন্দ্রের নেচার পার্কের সামনে। ৬ নম্বর ফ্লাইং স্কোয়াড টিম ম্যাজিস্ট্রেট শান্তনু নস্করের নেতৃত্বে সেখানে তল্লাশি চালাচ্ছিল। সেই সময় একটি গাড়ি আটকানো হয়। ওই গাড়ি থেকে বিপুল নগদ উদ্ধার হয়। ধৃত ব্যক্তি সচিন সাবু (৪৭), যিনি ঝাড়খণ্ডের গুমলা জেলার বাসিন্দা। তাঁর কাছ থেকে ৫০০ টাকার ৮০০টি নোট, ২০০ টাকার ২৪টি, ১০০ টাকার ৪৩টি এবং ৫০ টাকার ১৪টি নোট পাওয়া যায় (Kolkata Cash Recovery)।

আরও পড়ুনঃ ভোটের ১২ দিন আগে কমিশনের কড়া পদক্ষেপ, DIG CID-সহ একাধিক শীর্ষ পুলিশ আধিকারিককে বদলি
একদিনে শহরের বিভিন্ন জায়গায় এইভাবে বারবার নগদ টাকা উদ্ধারের ঘটনায় নির্বাচনের আগে পরিস্থিতি নিয়ে সতর্ক প্রশাসন। কোথা থেকে এই টাকা আসছে (Kolkata Cash Recovery), তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে।













