বাংলা হান্ট ডেস্কঃ রাজনৈতিক পালাবদলের পর বিজেপি সরকারের (BJP Government) হাত ধরে পশ্চিমবঙ্গের বুকে এই প্রথম দুর্গাপুজো (Durga Puja) হচ্ছে। দেবী দুর্গার আগমনে সেজে উঠেছে গোটা শহর। এই উৎসবের আবহেই ইডেনে দুর্গাপুজোর উদযাপন (Mahalaya Celebration) নিয়ে কুণাল ঘোষের (Kunal Ghosh) চরম কটাক্ষের মুখে পড়ল বঙ্গ বিজেপি সরকার।
জয়ের পর বিজেপি সরকারের প্রথম দুর্গাপুজোকে কটাক্ষ কুণাল ঘোষের
বিজেপিকে চরম কটাক্ষ করে তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষের অভিযোগ, ‘মহালয়ার দিন ইডেনে জনগণের পয়সা খরচা করে বিসর্জনের নাচ দেখনো হয়েছে।’ একইসঙ্গে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে আক্রমণ শানিয়ে কুণাল ঘোষের দাবী, ‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তৃণমূল কংগ্রেসই মুখ্যমন্ত্রীর শয়নে, স্বপনে, জাগরণে রয়েছেন। সুতরাং এত ভয় যে দলটা নাকি দুর্বল, যে দলটা নাকি ডায়লিসিস সেটাই কিন্তু মুখ দিয়ে বের হচ্ছে। অর্থাৎ ভাঙতে হবে কাকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূলকে, দিল্লিতে ধোপার বাড়ি পাঠাতে হবে কোন দল থেকে নিয়ে? মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের, গদ্দার খুঁজে খুঁজে নিয়ে দলটাকে দুর্বল করতে হবে কাদের? এইভাবে তো হয় না।’ কুণাল ঘোষের স্পষ্ট দাবী, ‘আপনারা জ্ঞানেশ কুমারের সৌজন্যে ক্ষমতায় এসেছেন।’
এরপরেই বিজেপিকে চরম কটাক্ষ করে কুনাল ঘোষের অভিযোগ, ‘মহালয়ার দিন ইডেনে জনগণের পয়সা খরচা করে বিসর্জনের নাচ দেখিয়ে দিয়েছেন। সুতরাং মহালয়ার দিন আপনি ঠাকুর থাকবে কতক্ষণ, ঠাকুর যাবে বিসর্জনের নাচ দেখিয়ে দিয়েছেন সুতরাং ডায়ালিসিসের বিচার পরে করবেন। মহালয়ার দিন বিসর্জনের নাচ দেখিয়েছেন সেইটা আগে ভাবুন।’
আরও পড়ুনঃ ‘CJP আন্দোলনের সঙ্গে বাংলাদেশের যোগ!’ Gen Z Protest নিয়ে বিস্ফোরক দিলীপ ঘোষ
দিল্লির যন্তর মন্তরে সিজেপির আন্দোলনে বাঁধা দেওয়ার প্রসঙ্গেও বিজেপিকে এক হাত নিয়ে কুণাল ঘোষ এদিন বলেছেন, ‘ভয় পেয়েছে বিজেপি। যন্তর-মন্তরে বিক্ষোভ করা যাবে না! এটা কোন কথা হলো? একটা গণতান্ত্রিক পরিসর দিতে দেবে না? বিজেপি বিরোধী প্রগতিশীল,ধর্মনিরপেক্ষ, গণতান্ত্রিক যে শক্তি সেখানে যেমন বিরোধী দলগুলিও আছে, তেমনি ককরোচ জনতা পার্টি বা নতুন প্রজন্মের আরও যারা রয়েছেন দেশের ভালোর চান তাঁরা রয়েছেন।
এরপরেই মনিপুরের প্রসঙ্গ এনে কুণাল ঘোষ বললেন, ‘গত কয়েকদিন কি কি করেছে বিজেপি কলকাতা-দিল্লীর ট্রেন বন্ধ করেছে, দিল্লির মেট্রো বন্ধ করেছে। এত আধাসেনার পুলিশ নামিয়েছে ওগুলো যদি মণিপুরে নামাতো এতদিনে মণিপুরটা এতদিন ধরে জ্বলতো না। এখন তো আবার শুনছি যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ করা যাবে না। ফলে এগুলো হচ্ছে এদের প্যানিক রিয়াকশন। এগুলো তো আর কন্ট্রোল করা যায় না।














