ফিফা বিশ্বকাপে জমে উঠেছে গোল্ডেন বুটের লড়াই! মেসি-এমবাপের মধ্যে কড়া টক্কর

Published on:

Published on:

Kylian Mbappe-Lionel Messi battle for golden boot.
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্ক: বর্তমান সময়ে সমগ্র বিশ্বের ফুটবল অনুরাগীরা মেতে রয়েছেন ফুটবলের মহাযুদ্ধ নিয়ে। যেখানে এই লড়াই ক্রমশ উত্তেজক হয়ে উঠছে। শুধু তাই নয়, এবারের ফিফা বিশ্বকাপে গোল্ডেন বুটের লড়াইয়ের ক্ষেত্রেও কড়া টক্কর পরিলক্ষিত হচ্ছে। গত শনিবার প্যারাগুয়ের বিরুদ্ধে শেষ ষোলোর ম্যাচে পেনাল্টি থেকে গোল করে ফ্রান্সের কিলিয়ান এমবাপে তাঁর বিশ্বকাপ কেরিয়ারের ১৯ তম এবং চলতি টুর্নামেন্টের সপ্তম গোলটি করেন। যা আর্জেন্টিনার কিংবদন্তি লিওনেল মেসির (Kylian Mbappe-Lionel Messi) সঙ্গে ‘গোল্ডেন বুট’-এর লড়াইকে আকর্ষণীয় করে তুলেছে। চলমান ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ (FIFA World Cup 2026)-এ এই দুই খেলোয়াড়ই এখনও পর্যন্ত সর্বোচ্চ গোলদাতা হিসাবে বিবেচিত হচ্ছেন। তাঁরা ৭ টি করে গোল করেছেন এবং টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ গোলদাতার ক্ষেত্রে ‘গোল্ডেন বুট’ (Golden Boot) প্রাপ্তির দৌড়ে এগিয়ে আছেন।

মেসি-এমবাপের (Kylian Mbappe-Lionel Messi) মধ্যে কড়া টক্কর:

এদিকে, এই তালিকায় এরপরেই রয়েছেন নরওয়ের আর্লিং হালান্ড এবং ইংল্যান্ডের হ্যারি কেইন। তাঁরা এবারের বিশ্বকাপে ৫ টি করে গোল করেছেন। জানিয়ে রাখি যে, নিজের ষষ্ঠ বিশ্বকাপে খেলতে নামা মেসি ফুটবলের সবচেয়ে বড় মঞ্চে এখনও পর্যন্ত ২০ টি গোল করে সর্বাধিক গোলদাতার রেকর্ড গড়েছেন। মেসির এই রেকর্ডের দিক থেকে এমবাপে মাত্র এক গোল পিছিয়ে রয়েছেন। এছাড়াও, বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে এমবাপে ইতিমধ্যেই ১১তম গোল করেছেন। যার মাধ্যমে তিনি নিজের রেকর্ড আরও বাড়িয়ে নিয়েছেন। এমবাপে প্রথম ফুটবলার হিসাবে ৩ টি বিশ্বকাপের প্রতিটির নকআউট পর্বে অন্তত ৩ টি করে গোল করার কৃতিত্ব অর্জন করেছেন।

Kylian Mbappe-Lionel Messi battle for golden boot.

বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছেছে ফ্রান্স: উল্লেখ্য যে, প্যারাগুয়ের বিরুদ্ধে ম্যাচে তারকা স্ট্রাইকার কিলিয়ান এমবাপে তাঁর পায়ের জাদু প্রদর্শনের মাধ্যমে পেনাল্টি থেকে গোল করেন। যার ওপর ভর করে ফ্রান্স ১-০ গোলে প্যারাগুয়েকে পরাজিত করে বিশ্বকাপ ফুটবলের কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছে যায়।

আরও পড়ুন: ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় T20-তে কেন পরাজিত টিম ইন্ডিয়া? নেপথ্যে রয়েছে ৪ টি কারণ

ওই ম্যাচ চলাকালীন প্যারাগুয়ের খেলোয়াড়রা এমবাপেকে স্বাধীনভাবে খেলতে বাধা দিচ্ছিলেন। এমনকি তাঁকে উস্কে দেওয়ারও চেষ্টা করেছিলেন। তবে, এই অভিজ্ঞ ফুটবলার শান্ত থেকেই খেলাটি উপভোগ করছিলেন। এদিকে, ম্যাচের ৭০ মিনিটে পেনাল্টি পেয়ে তিনি প্যারাগুয়ের গোলরক্ষক অরল্যান্ডো গিলকে পরাস্ত করে সহজেই গোল করে।

আরও পড়ুন: E20 পেট্রোলের পর এবার ডিজেলে আইসোবিউটানল মেশানোর পরিকল্পনা! কী জানালেন নিতিন গড়করি?

এটি ছিল এমবাপের বিশ্বকাপ কেরিয়ারের ১৯ তম গোল। যা শেষ পর্যন্ত নির্ণায়ক প্রমাণিত হয়। প্রচণ্ড গরমে খেলা এই ম্যাচে এমবাপের গোলে ফ্রান্স টানা চতুর্থবারের মতো কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে। ম্যাচের পর এমবাপে জানিয়েছেন, ‘এই ম্যাচে কী হতে চলেছে তা আমরা জানতাম। আমরা আক্রমণাত্মক হতে পারতাম, কিন্তু আমরা জানি কীভাবে খেলতে হয়। আমরা জানি কীভাবে আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে হয়। হয়ত তারা ভেবেছিল আমরা স্যুট-বুট পরে আসব, কিন্তু আমরা প্রস্তুত ছিলাম।’ জানিয়ে রাখি যে, আগামী বৃহস্পতিবার ফ্রান্স কোয়ার্টার ফাইনালে ম্যাসাচুসেটসের ফক্সবোরোতে মরক্কোর মুখোমুখি হবে।