ঘরে বন্দি করে মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীকে ‘পিটুনি’, চাঞ্চল্যকর অভিযোগ এই নেতার বিরুদ্ধে

Published on:

Published on:

madhyamik student was allegedly detained and beaten; the accusation is against an ISF leader in Baduria
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্ক: বাবাকে কটুক্তির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছিল আর তার জন্যেই হতে হল ভয়ঙ্কর মারের অভিজ্ঞতার শিকার। ৬ ঘন্টা হাসপাতালে ভর্তি থাকার পর ভোররাতে হাসপাতাল থেকে ছুটি করে বাড়ি নিয়ে যায় পরিবার। ছেলেটি এবারের মাধ্যমিক(Madhyamik 2026) পরীক্ষার্থী। ঘটনাটি ঘিরে চঞ্চল্য ছড়িয়েছে বাদুড়িয়া(Baduria) থানার উত্তর শেরপুর এলাকায়।

মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীকে ঘরে আটকে বেধড়ক মারধর বাদুড়িয়ার (Baduria) আইএসএফ নেতার

যার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে তিনি আইএসএফ নেতা হাসানুর সরকার। খোঁজ নিয়ে জানা যায় ছেলেটির বাবা তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্য। রাতে ওই ছাত্র প্রতিবেশী আইএসএফ নেতা হাসানুর সরকারের বাড়ির সামনে দিয়ে যাচ্ছিল, সেই সময় তিনি জামিরুল মন্ডল অর্থাৎ ছেলেটির বাবাকে নিয়ে কটুক্তি করেন। ছেলেটি সঙ্গে সঙ্গে প্রতিবাদ করে। আর তখনই হাসিনুর সরকার ছাত্রটিকে ধরে বাড়ির ভেতরে নিয়ে যায় এবং ঘরে আটকে এলোপাথাড়ি মারধর শুরু করে।

ছেলেটির চিৎকার চেঁচামেচি শুনে লোকজন এসে তাকে উদ্ধার করে। অসুস্থ ছাত্রটিকে নিয়ে তার বাবা ও প্রতিবেশীরা বাদুড়িয়া গ্রামীণ হাসপাতাল নিয়ে যায়। ৬ ঘন্টা হাসপাতালে ভর্তি থাকার পর, তার পরিবার তাকে ছুটি করিয়ে বাড়ি নিয়ে যায়। ছাত্রটির বাবা এবং তৃণমূল নেতৃত্ব ওই আইএসএফ নেতার শাস্তির দাবি করেছে।

আরও পড়ুন:নির্বাচনের আগেই বিজেপিতে যোগদান? জল্পনার অবসান ঘটিয়ে মুখ খুললেন অরিজিৎ

ছাত্রটির বাবা জামিরুল বলেন,’ আইএসএফ থেকে পঞ্চায়েত ভোটে জিতে তৃণমূলে যোগ দিয়েছিলাম। সেই রাগেই আমার ছেলেকে মারধর করেছে ওই আইএসএফ নেতা। সকাল হলেই পরীক্ষা, রাতে যেভাবে ঘরে আটকে আমার ছেলেকে মারধর করেছে তা দেখার মতো না’।

আরও পড়ুন:টিজার নিয়ে বিতর্ক, পিছিয়ে যেতে পারে সলমনের ‘ব্যাটল অফ গালওয়ান’এর মুক্তি! কিন্তু কেন?

madhyamik student was allegedly detained and beaten; the accusation is against an ISF leader in Baduria

ঘটনার পর উত্তেজনায় ছড়িয়েছে তবে আইএসএফের তরফে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। ঘটনার পর ওই আইএসএফ নেতা পলাতক। পুলিশে অভিযোগ জানানো হয়েছে। তবে এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। পুলিশের এ ব্যাপারে কী পদক্ষেপ নেয়, সেটাই এখন দেখার।