‘বাম-ডান ভুলে একজোট হোন!’ কমিশনের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে বিস্ফোরক ডাক মমতার

Published on:

Published on:

Mamata Banerjee calls for united front against Election Commission
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ সামনেই বিধানসভা নির্বাচন। এই নির্বাচনকে ঘিরে উত্তাপ বাড়ছে রাজ্যে। ইতিমধ্যে বিভিন্ন ইস্যুতে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে সরাসরি প্রশ্ন তুলেছেন মুখ্যমন্ত্রী। এবার ফের আরেকবার নির্বাচন কমিশনকে নিয়ে বড় অভিযোগ তুললেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। শুধু অভিযোগেই থামেননি, সব রাজনৈতিক দলকে একসঙ্গে লড়াইয়ের ডাকও দিলেন তিনি।

কী অভিযোগ করলেন মুখ্যমন্ত্রী (Mamata Banerjee)?

এদিন উত্তরবঙ্গ সফরে যাওয়ার আগে কলকাতা বিমানবন্দরে দাঁড়িয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) একযোগে নির্বাচন কমিশন এবং বিজেপির বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানান। তাঁর অভিযোগ, কমিশনের কাজকর্মে পক্ষপাতিত্ব স্পষ্ট। বিশেষ করে মাঝরাতে সাপ্লিমেন্টারি লিস্ট প্রকাশ করা এবং প্রায় ৭০ জন রিটার্নিং অফিসারকে বদলি করার সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি। মমতার কথায়, এসব পদক্ষেপ দেখে বোঝা যাচ্ছে কমিশন কার ইঙ্গিতে কাজ করছে।

এদিন তিনি (Mamata Banerjee) আরও বলেন, মানুষকে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে এবং ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা চলছে। তাঁর প্রশ্ন, “আর কত প্রাণ যাবে? মানুষের ভোট দেওয়ার অধিকার কেড়ে নেওয়ার অধিকার কারও নেই।” SIR প্রসঙ্গ টেনে তিনি দাবি করেন, এই ইস্যুই শেষ পর্যন্ত বিজেপির বিপদ ডেকে আনবে। এখানেই থেমে থাকেননি তৃণমূল নেত্রী। তিনি স্পষ্ট বার্তা দেন, রাজনৈতিক মতাদর্শ ভুলে সব দলকে একজোট হয়ে এই ব্যবস্থার বিরুদ্ধে দাঁড়াতে হবে। তিনি বলেন, “কে বাম, কে ডান, সেটা না ভেবে লড়াই করুন। আমার পাশে থাকতেই হবে, এমন নয়।”

অন্যদিকে, মমতার (Mamata Banerjee) এই অভিযোগ একেবারেই মানতে নারাজ বিজেপি। পাল্টা জবাবে বিজেপি নেতা জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় বলেন, এই পরিস্থিতির জন্য দায়ী তৃণমূল কংগ্রেসই। তাঁর দাবি, আইনি পদক্ষেপের জেরেই এখন ভোটার তালিকা নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়েছে।

Mamata Banerjee warns of ‘load shedding’ after Bhawanipore poll

আরও পড়ুনঃ পরিচয় দিতে লাগবে প্রমাণ! লোকসভায় নতুন বিলে কেন ক্ষোভে ফুঁসছে রূপান্তরকামীরা?

তিনি (Mamata Banerjee) আরও জানান, সাপ্লিমেন্টারি লিস্টে কিছু নাম বাদ পড়লেও, তাঁদের সংশোধনের সুযোগ দেওয়া হবে। পাশাপাশি বিচারব্যবস্থার ওপর আস্থা রাখার কথাও বলেন তিনি। তাঁর মতে, যাঁদের নাম বাদ যাচ্ছে, বিচারকদের বিচারে তাঁরা বৈধ নন বলেই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে।