বাংলা হান্ট ডেস্ক: আবার এসআইআর(SIR) নিয়ে অভিযোগ উঠল রাজ্যের তরফে। এসআইআর প্রক্রিয়া যত শেষের পর্যায়ে এগোচ্ছে ততই আরো এ নিয়ে উত্তেজনা বাড়ছে। এবার রাজ্য সরকার অভিযোগ করল জাতীয় নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া রাজ্যের গ্রুপ বি আধিকারিকদের নামের ডাটাবেস বিকৃত করার চেষ্টা চলছে। এই নিয়ে প্রেস বিজ্ঞপ্তিও জারি করল নবান্ন(Nabanna)।
ডাটাবেস বিকৃতির অভিযোগ নবান্নর (Nabanna)
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে যে, সুপ্রিম কোর্টের ৯ ফেব্রুয়ারি পর্যবেক্ষণের পরই, তালিকা জমা দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও বলা হয়েছে যে, “রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের গ্রুপ এ, বি, সি ও ডি হিসেবে শ্রেণীবিভাগ স্পষ্টভাবে নির্ধারিত রয়েছে এবং তা বিদ্যমান নিয়মাবলী সঙ্গে সম্পূর্ণ সঙ্গতিপূর্ণ। সেই নির্ধারিত নিয়ম ও মানদন্ড মেনেই অত্যন্ত সতর্কতা ও স্বচ্ছতার সাথে গ্রুপ বি কর্মচারীদের তালিকা প্রস্তুত করা হয় ও নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হয়েছে। এতে কোনওরূপ বিচ্যুতি বা অনিয়ম করা হয়নি।”
এরপরেই নামের ডাটাবেস বিকৃত করার অভিযোগ তুলে নবান্ন বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে সম্প্রতি কিছু অংশের দ্বারা যে অনিয়ম কিংবা কারচুপির অভিযোগ তোলা হচ্ছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, মনগড়া এবং বাস্তবতার সাথে কোনও সম্পর্ক নেই। নবান্নের এই বিজ্ঞপ্তি ঘিরে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা। ‘কিছু স্বার্থান্বেষী মহল’ বলে নিশানা করা হয়েছে কাকে, সে নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। এসআইআর পক্রিয়া শেষ পর্যায়ে এসেও, এখনও চলছে রাজ্য সরকারের সঙ্গে নির্বাচন কমিশনের চাপান উতোর l
রাজ্য সরকারের নজরে এসছে কিছু স্বার্থান্বেষী মহল, ইচ্ছাকৃতভাবে নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া গ্রুপ বি আধিকারিকদের নামের ডাটাবেস বিকৃতভাবে উপস্থাপনের অপচেষ্টা চালাচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গ সরকার স্পষ্ট ভাবে জানাচ্ছে যে নির্বাচন কমিশনে দাখিল করা গ্রুপ বি কর্মচারীদের তালিকা, সম্পূর্ণ রূপে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অর্থ দফতরের জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে নির্ধারিত বিদ্যমান পে-লেভেল মানদণ্ড অনুসরণ করেই প্রস্তুত করা হয়েছে।
আরও পড়ুন:পুরনো শিক্ষকদেরও TET পাস বাধ্যতামূলক? সংসদে চূড়ান্ত জবাব দিল কেন্দ্র

মঙ্গলবার প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে নবান্ন এটাই জানিয়েছে যে ৮৫০৫ জন গ্রুপ-বি আধিকারিকদের নাম জমা করেছে রাজ্য সরকার, সেই নামের ডাটা বেস বিকৃতভাবে উপস্থাপনের চেষ্টা চলছে।












