শতবর্ষ পেরিয়ে বড়মার মন্দিরের নামফলকের লেখা বদল! কারণ জানালেন নৈহাটির বিধায়ক

Published on:

Published on:

Naihati Boro Maa Temple tagline change reason revealed by MLA Sumitro Chatterjee

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ নৈহাটির বড়মার মন্দিরের (Naihati Boro Maa Temple) বাইরে এতদিন ‘ধর্ম হোক যার যার, বড়মা সবার’ লেখাটি জ্বলজ্বল করত। তবে কালীপুজোর মুখে সেই নামফলক বদলেছে। এখন মন্দিরের বাইরে আলোয় আলোয় লেখা, ‘বড়মায়ে ভক্তি, সনাতনের শক্তি’। শতবর্ষ পেরিয়ে মন্দিরের নামফলকের লেখা বদল নিয়ে ইতিমধ্যেই জোর চর্চা শুরু হয়েছে। এবার কারণ জানালেন নৈহাটির বিধায়ক সুমিত্র চট্টোপাধ্যায় (Sumitro Chatterjee)।

বড়মার মন্দিরের নামফলকের লেখা বদলের কারণ | (Naihati Boro Maa Temple)

অনেকেই মনে করছেন, বড়মার মন্দিরের নামফলকের লেখা বদলের পিছনে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য থাকতে পারে। যদিও বৃহস্পতিবার নতুন নামফলক উন্মোচন করে বিধায়ক স্পষ্ট করে দেন, এর সঙ্গে রাজনীতির কোনও সম্পর্ক নেই।

Naihati Boro Maa Temple

সুমিত্র বলেন, “সনাতনীদের ট্যাগলাইন থাকুক, এটা অনেকদিন ধরেই চাইছিলেন নৈহাটিবাসী। বড়মার কমিটির কাছেও এই আবেদন এসেছিল। এই মন্দির, এই পুজোয় তো আসলে সনাতনীদের অধিকার বেশি। সেই কারণে সনাতনের শক্তি নিয়ে লেখাও হল। এর সঙ্গে রাজনীতির কোনও রকম সম্পর্ক নেই।“

আরও পড়ুনঃ ভুয়ো ডাক্তার ধরতে সব চিকিৎসকের নথি যাচাই করবে রাজ্য! বড় ঘোষণা স্বাস্থ্যমন্ত্রীর

এদিকে অনেকের প্রশ্ন, বড়মার মন্দিরের আগের ট্যাগলাইনের মাধ্যমে যে ধর্মনিরপেক্ষতার বার্তা দেওয়া হত, সেটা কি এবার শেষ? সব ধর্মের মানুষ কি আর এখানে আসতে পারবেন না? জবাবে নৈহাটির বিধায়ক জানান, এমন কিছুই হবে না। সব ধর্মের মানুষই আসতে পারেন। তবে পুজোর দায়িত্ব সম্পূর্ণভাবে সনাতনীদের হাতে থাকবে।

অন্যদিকে বড়মার মন্দিরের নামফলকের লেখা বদল প্রসঙ্গে বিজেপির ব্যারাকপুর সাংগঠনিক জেলা সভাপতি তথা মন্দির কমিটির সভাপতি তাপস ঘোষ জানান, “সনাতনের অর্থ আদি। সেই কারণে কথাটি আনা হয়েছে। কমিটিতে বিভিন্ন মানুষ বিভিন্ন নাম প্রস্তাব করেছিলেন। সেখান থেকে এটা পছন্দ করে নেওয়া হয়েছে। আমি কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পাওয়ার পর পুজো দিতে এসেছিলাম। তখনই শুনেছিলাম, ভক্তরা নিজেদের অধিকার আরও বেশি প্রতিষ্ঠা করতে চাইছেন। সেই কারণে লেখা বদলানো হল।“

রাজ্যের জনপ্রিয় ধর্মীয় পর্যটনক্ষেত্রগুলির মধ্যে একটি নৈহাটির বড়মার মন্দির। কালীপুজোর আগে ১০৩ বছর প্রাচীন এই মন্দিরের নামফলকের লেখা বদলানো হয়েছে। এবার কারণ ব্যাখ্যা করে দিলেন স্থানীয় বিধায়ক সুমিত্র চট্টোপাধ্যায়।