‘ভুল করলে সরকারকে আমরা আয়না দেখাব’, SIR হয়রানি নিয়ে বিস্ফোরক নওশাদ

Updated on:

Updated on:

Naushad Siddiqui claims a double-digit tally left draws a blank yet
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ SIR পক্রিয়া শেষ হলেও লক্ষ লক্ষ মানুষের নাম আজও ট্রাইব্যুনালে বিচারের অপেক্ষায়। এমতাবস্থায় সরকারের বিরুদ্ধে সুর চড়ালেন ইন্ডিয়ান সেক্যুলার ফ্রন্ট বা ISF চেয়ারম্যান তথা নেতা নওশাদ সিদ্দিকী (Naushad Siddiqui)। এই প্রসঙ্গে বাংলা হান্ট প্রশ্ন করতে কি জবাব দিলেন তিনি? চলুন দেখে নেওয়া যাক এক্সক্লুসিভ সাক্ষাৎকার।

 এখনও SIR যন্ত্রণায় ভুগছেন বাংলা মানুষ!

এদিন নওশাদ সিদ্দিকী শুরুতেই বলেন, ‘SIR যন্ত্রণায় এখনো বাংলার মানুষ জ্বলছে। লক্ষ লক্ষ মানুষ এখনো তাদের ভাগ্য ঝুলে আছে ট্রাইবুনালের হাতে। ট্রাইবুনালের গতি কচ্ছপের গতির ন্যায়। আরটিআই অনেক কিছু তথ্য বা যতটুকু পাওয়া যাচ্ছে একটা ভয়ঙ্কর ষড়যন্ত্র আমরা দেখতে পাচ্ছি। আবার নতুন করে যদি এই ধরনের কিছু করে বাংলার মানুষ কিন্তু এটাকে নিশ্চিতভাবে যেমন ভালো মনে করে আমরা নেব না। সাথে সাথে এই ধরনের অন্যায় কাজ করে যদি আবার ওই ভোটারকে কিছু অ্যাবসেন্ট দেখিয়ে বা আন্ডার এডজুডিকেশন ট্রাইবুনাল দেখিয়ে ভোট করালে এটা আমরা কোনভাবে মেনে নেব না’।

শুধু তাই নয় এদিন তিনি আরও জানান, ‘নাগরিক যদি মতামত না দিতে পারে, গণতন্ত্রের সবথেকে উৎকৃষ্ট শক্তি হচ্ছে সর্বোচ্চ শক্তি হচ্ছে মতামতের শক্তি সেটাই যদি বকলেমে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে কেড়ে নেয়া হয়। তাহলে এই ভোটের এই ভোটিং সিস্টেমে রাখার দরকার কি আছে? তুলে দেওয়া দরকার এত হাজার হাজার কোটি টাকা খরচ হচ্ছে! রাখার কি দরকার আছে আজকে ভোট হয়েছে চার মাস পার হয়ে গেল। তার আগে ছ মাস আট মাস ধরে এসআইআর প্রক্রিয়া এখনো শেষ হলো না। আবার নতুন করে যদি এ ধরনের কোন চিন্তাভাবনা যদি আনতে চাই বাংলার মানুষ কিন্তু ঐক্যবদ্ধ হয়ে এর প্রতিরোধ করবে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াতে’।

আরও পড়ুনঃ “মানুষকে বিষ খাওয়াচ্ছে এরা”, রেস্তোরায় পচা মাংস উদ্ধার নিয়ে বললেন অর্জুন সিং

সাধারণ নাগরিকদের হোল্ডিং সেন্টারে নিয়ে যাওয়ার প্রসঙ্গে নওশাদ জানান, ‘বেশ কিছু জায়গায় এলাকা যেখানে বাংলাদেশের ছন্দে একটা অরিজিনাল নাগরিক এটা হোল্ডিং সেক্টরে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। এই বিষয়ে নওশাদ জানান, এই বিষয়ে বিধানসভার মধ্যে বলেছিলাম যে কোনভাবেই একটা বৈধ নাগরিকের প্রতি না অন্যায় হয়। কারণ আমরা ঝাড় খেয়েছি আমাদের দেশের মাথা হেঁট হয়েছে বিশ্বের দরবারে। কলকাতা হাইকোর্ট থেকে সুপ্রিম কোর্ট বীরভূমের একটা পরিবারকে দিল্লি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে বাংলাদেশী বলে ফেলে দেয়া হয়েছিল। শুধু তাই নয় মালদার একটি ছেলেকে পেলোডার দিয়ে ওপারে ফেলেছিল ফিরিয়ে নিয়ে আসতে বাধ্য হয়েছে। তো সরকার এই ধরনের হোল্ডিং সেন্টারে রাখা পুশব্যাককে এমনভাবে দেখাচ্ছে, এটাকেই উন্নয়নগুলো চালাচ্ছে’।

এরপর তিনি আরও বলেন, ‘আজকে চার মাস হতে আর দুটো দিন বাকি। নির্বাচনে পার হয়েছে। তাহলে এই প্রায় চার মাসে একটাও কোন চাকরি নোটিফিকেশন দিয়েছে? 200 ইউনিট বিদ্যুৎ ফ্রির কথা বলেছিল, অন্যান্য ক্ষেত্রে তারা কমিটেড আছে বলে জোরগলায় বলছেন 200 ইউনিট বিদ্যুৎ ফ্রি দেওয়ার কথা বলেছিল সেটা নিয়ে আর কোন চর্চা নেই। লক্ষীর ভান্ডার তার পরিবর্তে অন্নপূর্ণা যোজনায় যে প্রমিস করেছিল সেটায় ফেলিওর। এই ফেলিও ঢাকার জন্য দেখবেন খোঁজ নিয়ে ম্যাক্সিমাম মুসলিম সম্প্রদায়কে টার্গেট করা হচ্ছে। যাদের পূর্বপুরুষরা দেশ স্বাধীনের সাথে লড়াইয়ের সাথে যুক্ত ছিল। যার পূর্বপুরুষরা ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে লড়াই করে জীবন দিয়েছে তাদেরকে আজকে অবৈধ নাগরিক বলে হোল্ডিং সেন্টার বলুন বা বিভিন্ন জায়গায় রাখার চেষ্টা পুশ ব্যাক করানোর চেষ্টা হচ্ছে’।

সাধারণ মানুষদের হয়ে আইনি সাহায্যের বার্তা দিয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা আপনার মাধ্যমে আপনাদের মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে বলব যে আমাদের কাছে কিছু খবর এসছে। আপনাদের কাছে যদি খবর থাকে নির্দ্বিধায় আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন। সম্পূর্ণ আইনি লড়াই আপনাদের হয়ে আমরা দেব। আপনারা দেশের নাগরিক বৈধ নাগরিকের লড়াই, আমরা দেব। সরকার যদি মনে করে সংখ্যার ভয় সংখ্যা দেখিয়ে এত 200 অধিক এমএলএ আছে তার গরম দেখিয়ে অন্যায় কাজ করবে, আমরা একটা বিরোধী হলেও আমরা লড়াই করব। সরকারকে আমরা আয়না দেখাবো, যে ভুল পথে আপনারা চলছেন। সেটা আইনের মাধ্যমেই হবে মাঠে ময়দানে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াতে হবে’। আর কি বললেন তিনি? দেখে নিন নিচের ভিডিওতে