বাংলাহান্ট ডেস্ক : বঙ্গে এসআইআর (SIR) এর শুনানির লিস্টটি ক্রমে বেড়েই চলেছে। ঝগড়াঝাঁটি তর্ক বিতর্ক এ নিয়ে লেগেই রয়েছে রাজ্য রাজনীতিতে। শুধু তো আমজনতাই নয়, এসআইআর শুনানির জন ডাক পেয়েছেন সাংসদ, কবি, নোবেলজয়ী থেকে খেলোয়াড়রাও। আর এবার শুনানির জন্য ডেকে পাঠানো হল নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর প্রপৌত্র চন্দ্রকুমার বসুকে।
এসআইআর (SIR) শুনানির ডাক পেলেন নেতাজির প্রপৌত্র
নামজাদা ব্যক্তিত্বদের শুনানির জন্য ডেকে পাঠানো নিয়ে নির্বাচন কমিশনকে লাগাতার তুলোধনা করতে দেখা গিয়েছে রাজ্য প্রশাসনকে। এবার ডাক পড়ল খোদ নেতাজির পরিবারের সদস্যের। বিষয়টি নিয়ে শোরগোল পড়তেই পরিস্থিতি সামলাতে মুখ খুলল নির্বাচন কমিশন। কেন ডাকা হয়েছে চন্দ্রকুমার বসুকে, তার কারণ ব্যাখ্যা করল রাজ্যের সিইও দফতর।

কেন এই শুনানির নোটিশ: এবার কি নেতাজির প্রপৌত্রকেও নাগরিকত্বের প্রমাণ দিতে হবে? চন্দ্রকুমার বসু নোটিশ পেতেই ওঠে এই প্রশ্ন। শেষমেশ পরিস্থিতি সামাল দিতে মাঠে নামে রাজ্যের সিইও দফতর। কেন পাঠানো হল হিয়ারিংয়ের নোটিশ? সিইও দফতরের তরফে জানানো হয়েছে, চন্দ্রকুমার বসুর যে এনুমারেশন ফর্ম জমা পড়েছে, সেখানে ‘লিঙ্কেজ’ সংক্রান্ত অংশটি রয়েছে ফাঁকা। তাই তাঁকে ডেকে পাঠানো হয়েছে শুনানিতে।
আরও পড়ুন : ‘দেবদাকেই যেখানে…’, এবার SIR শুনানির সমন পেলেন সৌমিতৃষা! কিন্তু কেন?
খোলসা করল কমিশন: উল্লেখ্য, এনুমারেশন ফর্মে লিঙ্কেজ সংক্রান্ত অংশে সংশ্লিষ্ট ভোটারকে উল্লেখ করতে হয় যে, তাঁর নাম ২০০২ সালের ভোটার লিস্টে ছিল কি না। থাকলে তা উল্লেখ করতে হয়। আর না থাকলে ২০০২ এর তালিকায় নাম থাকা বাবা, মা বা অন্য আত্মীয়দের তথ্য দিতে হয়। এবার চন্দ্রকুমার বসুর যে এনুমারেশন ফর্ম জমা পড়েছিল তাতে এই অংশটি ফাঁকা রয়েছে বলেই দাবি কমিশনের। তাই নিয়ম অনুযায়ী তাঁকে ডেকে পাঠানো হয়েছে হিয়ারিংয়ে (SIR)। চন্দ্রকুমার বসুকে নোটিশ পাঠানো নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হচ্ছে বলেও বার্তা দিয়েছে কমিশন।
আরও পড়ুন : শুনানি নিয়ে আর চিন্তা নেই, বাড়িতে বসে নিজেই আপলোড করা যাবে নথি, বড় সিদ্ধান্ত কমিশনের
প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন চন্দ্রকুমার বসু। দুবার ভোটেও লড়েছিলেন। কিন্তু জিততে পারেননি। ২০২৩ এ দল ছাড়েন তিনি। আর এবার তাঁকে শুনানিতে ডেকে পাঠানো নিয়ে শুরু হয়েছে শোরগোল।












