বড় সিদ্ধান্ত কমিশনের! অভিযুক্তদের আর মিলবে না সরকারি নিরাপত্তা

Published on:

Published on:

No Security for Accused Before Bengal Polls, Election Commission Issues Urgent Order
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ ভোট যত এগিয়ে আসছে, ততই কড়া হচ্ছে নিয়মকানুন। এবার রাজ্যে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েই বড় সিদ্ধান্ত নিল নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। যাঁদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা আছে বা যাঁরা জামিনে বাইরে আছেন, তাঁদের আর বিশেষ নিরাপত্তা দেওয়া হবে না। খুব কম সময়ের মধ্যে এই নির্দেশ কার্যকর করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। ভোটের আগে আইন-শৃঙ্খলা ঠিক রাখা এবং নিরাপত্তার অপব্যবহার বন্ধ করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে বলে খবর।

ভোটের আগে কড়া বার্তা কমিশনের (Election Commission)

গতকাল রাতে অর্থাৎ ২ এপ্রিল রাতে পাঠানো নির্দেশে বলা হয়েছে, এখন যাঁরা নিরাপত্তা পাচ্ছেন তাঁদের তালিকা নতুন করে খতিয়ে দেখতে হবে। প্রতিটি বিধানসভা কেন্দ্র এবং পুলিশ জেলার ভিত্তিতে আলাদা করে তালিকা তৈরি করতে হবে। কমিশনের (Election Commission) নির্দেশ অনুযায়ী যাঁদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা রয়েছে, তাঁদের নিরাপত্তা রাখা যাবে না।

এছাড়া, যাঁরা আসলে কোনও হুমকির মুখে নেই বা পদমর্যাদার ভিত্তিতে নিরাপত্তার যোগ্য নন, তাঁদের ক্ষেত্রেও একই নিয়ম প্রযোজ্য হবে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, এই কাজ দ্রুত শেষ করতে বলা হয়েছে। এমনকি বৃহস্পতিবার মধ্যরাতের মধ্যেই নিরাপত্তা প্রত্যাহারের কাজ শেষ করতে হবে।

এছাড়া রাজ্যের সব জেলা নির্বাচন আধিকারিক (DEO) এবং পুলিশ সুপারদের বলা হয়েছে, শুক্রবার দুপুর ১২টার মধ্যে রিপোর্ট পাঠাতে হবে নির্বাচন কমিশনের (Election Commission) কাছে। অনেকের মতে, এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে কমিশন বোঝাতে চাইছে ভোটের আগে কোনওভাবেই পক্ষপাতিত্ব চলবে না। যাঁরা এতদিন প্রভাব খাটিয়ে নিরাপত্তা পাচ্ছিলেন, তাঁদের জন্য এই সিদ্ধান্ত বড় ধাক্কা হতে পারে।

Election Commission imposes strict ban on illegal gatherings ahead of West Bengal polls

আরও পড়ুনঃ ভোটের হোর্ডিংয়ে ঢাকছে সিগন্যাল, বিপদে কলকাতা! মামলা গড়াল হাই কোর্টে

এই সিদ্ধান্তের পেছনে কালিয়াচকের ঘটনাকেও গুরুত্বপূর্ণ কারণ হিসেবে ধরা হচ্ছে। ভোটের আগে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং নিরাপত্তার অপব্যবহার বন্ধ করতেই কমিশনের (Election Commission) এই কড়া পদক্ষেপ। সব মিলিয়ে, ভোটের আগে এই নির্দেশ নিয়ে রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। এখন দেখার বিষয়, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে এই সিদ্ধান্ত কত দ্রুত কার্যকর হয়।