বাংলাহান্ট ডেস্ক : নতুন হোক বা পুরনো, টিআরপি প্রয়োজন সব সিরিয়ালেরই (Serial)। নাহলেই মাঝপথে গল্প গুটিয়ে বিদায় নিতে হবে। এই টিআরপির চক্করে বিভিন্ন স্বাদের ধারাবাহিক নিয়ে আসছেন নির্মাতারা। এর মধ্যেই অন্যতম জি বাংলার ‘তারে ধরি ধরি মনে করি’। এই সিরিয়ালের হাত ধরেই প্রথম বার জুটি বাঁধলেন পল্লবী শর্মা এবং বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়।
নতুন সিরিয়ালে (Serial) টিআরপির উত্থান পতন
প্রায় আড়াই মাস হল শুরু হয়েছে এই সিরিয়াল। বরাবর প্রথম দশে থাকলেও তেমন ভাবে টিআরপিতে ছাপ ফেলতে পারেনি ধারাবাহিকটি। এর কারণ কি সিরিয়ালের কাহিনি? আসলে প্রথম থেকেই এই ধারাবাহিকের কাহিনির মূল ভিত্তি হল পুনর্জন্ম। সিরিয়ালের গল্প বুঝতে কি অসুবিধা হচ্ছে দর্শকদের?

কী বললেন পল্লবী: পল্লবীর কথায়, এই গল্পে না আছে শাশুড়ি বৌমার ঝামেলা, না আছে ত্রিকোণ প্রেমের গল্প। তাঁর নিজেরই চার ধরণের চরিত্র। দুই জন্মের কাহিনি মিলিয়ে দেখানো হচ্ছে। অভিনেত্রী বলেন, এটি পরীক্ষামূলক ধারাবাহিক (Serial), যার মাধ্যমে গল্পের ধরণ বদলানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। দর্শকের বুঝতে অসুবিধা হচ্ছে কিনা তিনি জানেন না। তবে তাঁর মতে, একটু মনোযোগ দিয়ে দেখলেই পুরোটা বোঝা যাবে স্পষ্ট।
আরও পড়ুন : জমা জলে লুকিয়ে বিপদ, গত বছরের থেকে শিক্ষা নিয়ে বর্ষার আগেই বড় উদ্যোগ পুরসভার
টিআরপির লড়াই অব্যাহত: পল্লবী এও বলেন, টিআরপি তো সত্যিই সবকিছুর উপরে। ওটা দরকার। কিন্তু এটা তো তাঁদের হাতে নেই। তাঁর দায়িত্ব হল নিজের চরিত্রটিকে বাস্তবায়িত করে তোলা। সেই চেষ্টাটাই তিনি করবেন। টিআরপির ওঠাপড়া তাঁর হাতে নেই।
আরও পড়ুন : আরও কড়া CBSE, অসদুপায় অবলম্বন করলে এবার বাতিল পুরো পরীক্ষাই
প্রসঙ্গত, পল্লবীর প্রথম সিরিয়াল ‘কে আপন কে পর’। এই ধারাবাহিকে জবার চরিত্রে তাঁর অভিনয় সাড়া ফেলেছিল দর্শক মহলে। তারপর ‘নিম ফুলের মধু’ ধারাবাহিকও খুবই জনপ্রিয় হয়েছিল। এখনও অনেকের কাছেই তিনি পর্ণা। দুটি সফল সিরিয়ালের পর এই ধারাবাহিকে তিনি কতটা সাফল্য পান সেটাই দেখার।
















