আবাসের সমীক্ষা শেষের নির্দেশ! কারা পাবেন, কারা পাবেন না? নয়া আপডেট জানুন

Published on:

Published on:

PM Gramin Awas Yojana survey latest update who will get benefits who will not details
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ রাজ্যে পালাবদল হতেই একের পর এক পরিবর্তন চোখে পড়ছে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী রাজ্যে পিএম আবাস যোজনা (PM Gramin Awas Yojana) চালুর সিদ্ধান্তের কথা আগেই জানিয়েছেন। এই আবহে অনেকেরই প্রশ্ন, এই সরকারি প্রকল্পের (Government Scheme) সুবিধা কারা পাবেন আর কারা পাবেন না?

আবাস যোজনা নিয়ে নয়া আপডেট!- (PM Gramin Awas Yojana)

বাংলায় প্রধানমন্ত্রী গ্রামীণ আবাস যোজনার তোড়জোড় শুরু হয়ে গিয়েছে। রাজ্যের নির্দেশ, আগামী ২৫ জুনের মধ্যে সমীক্ষা সম্পূর্ণ করতে হবে। ইতিমধ্যেই পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দফতরের তরফ থেকে জেলায় জেলায় এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে খবর। গৃহহীন এবং কাঁচা বাড়িতে থাকা যোগ্য গ্রামীণ পরিবারগুলিকে চিহ্নিত করে রাজ্যে আবাস প্লাস ২০২৪ সমীক্ষা চালু হবে।

আরও পড়ুনঃ অফিসে ক’টার মধ্যে ঢুকতে হবে, বেরোতে হবে কখন? এবার স্বাস্থ্য দফতরের কর্মীদের জন্যেও কড়াকড়ি

কারা বাদ পড়বেন?

জানা গিয়েছে, পাকা বাড়ি রয়েছে এমন পরিবার, ২টির বেশি ঘর রয়েছে এমন পরিবার, পরিবারের কোনও সদস্য সরকারি চাকরিজীবী হলে, তিনচাকা বা চারচাকা মোটরযান থাকলে ও মাসে ১৫ হাজার টাকার বেশি উপার্জন থাকলে সেই পরিবার তালিকা থেকে বাদ পড়বে।

কারা পাবেন?

জানা গিয়েছে, গৃহহীন ও কাঁচা বাড়িতে বসবাসকারী ব্যক্তিদের যোগ্য হিসেবে বিবেচনা করা হবে। সেই সঙ্গেই মহিলা-প্রধান পরিবার, প্রতিবন্ধী, অন্যান্য দুর্বল শ্রেণি ও প্রথমবারের উপভোক্তাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

সমীক্ষার ক্ষেত্রে ‘সেলফ সার্ভে’ এবং সরকারি সমীক্ষক দ্বারা সমীক্ষা, দুই পদ্ধতিই রয়েছে। সেলফ সার্ভের ক্ষেত্রে সকল আবেদন সংশ্লিষ্ট সমীক্ষক দ্বারা যাচাই করা বাধ্যতামূলক। সেই সঙ্গেই রয়েছে প্রশাসনিক আধিকারিক বহুস্তরীয় ভেরিফিকেশন।

PM Gramin Awas Yojana

রাজ্যের নির্দেশ, আগামী ২৫ জুনের মধ্যে আবাস প্লাস ২০২৪ (PMAY-G) সমীক্ষা সম্পন্ন করতে হবে। এরপর আগামী ১৫ জুলাইয়ের মধ্যে যাচাইয়ের কাজ ও ২০ জুলাইয়ের মধ্যে অযোগ্য আবেদনকারীদের আবেদন বাতিলের কাজ শেষ করার লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করা হয়েছে।

আবাস যোজনার মাধ্যমে বহু মানুষের বাড়ির স্বপ্ন পূরণ হয়েছে। উপকৃত হয়েছে এদেশের হাজার হাজার পরিবার। বর্তমানে রাজ্যে জোরকদমে এই প্রকল্পের তোড়জোড় চলছে। সমীক্ষা সম্পন্ন করার ডেডলাইন বেঁধে দিয়ে জেলায় জেলায় গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশিকা দিয়েছে রাজ্যের পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দফতর।