বাংলাহান্ট ডেস্ক: রাজ্যে দ্বিতীয় দফার ভোটে (West Bengal Assembly Election 2026) সামগ্রিকভাবে শান্তিপূর্ণ পরিবেশের ছবি সামনে এলেও শেষ মুহূর্তে এক বৃদ্ধের মৃত্যুকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়াল। নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, বিকেল ৫টা পর্যন্ত প্রায় ৯০ শতাংশ ভোটগ্রহণ হয়েছে, কোথাও কোথাও এই হার ৯০ শতাংশেরও বেশি। বিচ্ছিন্ন কয়েকটি অভিযোগ ছাড়া বড় কোনও অশান্তির খবর মেলেনি বলেই দাবি কমিশনের।
শেষ লগ্নে রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনে (West Bengal Assembly Election 2026) রাজনৈতিক চাপানউতোর
তবে ভোটের দিন শেষ লগ্নে হাওড়ার উদয়নরায়ণপুরে ৮১ বছরের এক বৃদ্ধের মৃত্যু ঘিরে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। শাসকদল তৃণমূল এই মৃত্যুর জন্য কেন্দ্রীয় বাহিনীকে দায়ী করে সরব হয়েছে। ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে এবং তৃণমূল নেতৃত্ব তীব্র প্রতিক্রিয়া জানায়।
আরও পড়ুন: মার্কিন মুদ্রা ও সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলির পর এবার পাসপোর্টেও ট্রাম্পের ছবি! কী ঘোষণা হোয়াইট হাউসের?
দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সামাজিক মাধ্যমে একটি পোস্ট করে অভিযোগ করেন, কেন্দ্রীয় বাহিনী কার্যত বিজেপির ‘ব্যক্তিগত বাহিনী’-তে পরিণত হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, এই বাহিনী লাইসেন্সপ্রাপ্ত গুন্ডাদের মতো আচরণ করছে। এই মন্তব্য ঘিরে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
Central Forces under Amit Shah have become BJP’s PRIVATE ARMY- A gang of licensed thugs unleashed on the people of Bengal.
In Udaynarayanpur, an elderly man went to cast his vote with his son. Too frail to walk unaided, his son tried to help him into the booth. Central Forces… pic.twitter.com/kRty6YdCUq
— Abhishek Banerjee (@abhishekaitc) April 29, 2026
অন্যদিকে, এই অভিযোগ সম্পূর্ণ খারিজ করে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, মৃত ব্যক্তির নাম পূর্ণ চন্দ্র দলুই। তিনি ভোট দিতে গিয়ে আচমকাই অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং অজ্ঞান হয়ে যান। পরে তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন। প্রাথমিকভাবে এটি স্বাভাবিক শারীরিক অসুস্থতার ঘটনাই বলে মনে করা হচ্ছে।
আরও পড়ুন: IPS অজয় পাল শর্মাকে নিয়ে পোস্ট! এবার তৃণমূলের মহুয়ার বিরুদ্ধেই অভিযোগ
কমিশনের অবজারভাররাও জানিয়েছেন, গোটা ভোট (West Bengal Assembly Election 2026) প্রক্রিয়া শান্তিপূর্ণভাবেই সম্পন্ন হয়েছে এবং কোথাও বড় ধরনের গোলমাল হয়নি। যদিও এই মৃত্যুকে ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোর অব্যাহত রয়েছে, তবু প্রশাসনের দাবি, ভোটগ্রহণ মোটের উপর নির্বিঘ্ন ছিল। ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে আরও বিস্তারিত খতিয়ে দেখা হচ্ছে।












