বাংলা হান্ট ডেস্ক: আমেরিকার স্বাধীনতার ২৫০ বছর পূর্তি উদযাপনকে সামনে রেখে এক নতুন চমক ট্রাম্পের (Donald Trump)। ‘প্যাট্রিয়ট পাসপোর্ট’ নামে সীমিত সংস্করণের একটি পাসপোর্ট চালু করার কথা জানানো হয়েছে, যেখানে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ছবিও থাকবে। এই সিদ্ধান্তকে ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক ও সামাজিক মহলে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। প্রশাসনের মতে, এই উদ্যোগের লক্ষ্য আমেরিকার ঐতিহাসিক মুহূর্তকে স্মরণীয় করে তোলা।
মার্কিন মুদ্রার পর এবার পাসপোর্টেও থাকবে ট্রাম্পের (Donald Trump) ছবি!
সরকারি মুখপাত্র টমি পিগট জানিয়েছেন, আগামী জুলাই মাসে আমেরিকা তাদের স্বাধীনতার আড়াইশোতম বর্ষ উদযাপন করবে। সেই উপলক্ষেই এই বিশেষ পাসপোর্ট ইস্যু করা হবে। শুধু ট্রাম্প নন, দেশের প্রতিষ্ঠাতা নেতাদের ছবিও এই পাসপোর্টে স্থান পাবে বলে জানানো হয়েছে। প্রশাসনের দাবি, এটি ইতিহাসের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের একটি প্রতীকী পদক্ষেপ।
আরও পড়ুন: বৃহস্পতিতে আরও বাড়বে বৃষ্টি! রাত পোহালে দক্ষিণবঙ্গের কোথায় কোথায় দুর্যোগ? আবহাওয়ার খবর
প্রসঙ্গত, এর আগেও বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠান ও প্রকল্পে ট্রাম্পের নাম এবং প্রতিকৃতি যুক্ত করার ঘটনা ঘটেছে। যেমন, জন এর কেনেডি সেন্টার ফর দ্য পারফর্মিং আর্টসের নাম পরিবর্তন করে ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প অ্যান্ড জন এফ কেনেডি সেন্টার’ করা হয়েছে। এছাড়াও তাঁর প্রতিকৃতি খচিত ২৪-ক্যারেট স্বর্ণমুদ্রা তৈরির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যা তাঁর প্রশাসনিক ছাপকে আরও দৃঢ় করেছে।
Patriot passport unlocked. 🦅
Limited edition. Stamped for America 250. 🇺🇸 pic.twitter.com/86uxPS1FEk
— The White House (@WhiteHouse) April 28, 2026
শুধু তাই নয়, মার্কিন জাতীয় উদ্যানগুলিতেও জর্জ ওয়াশিংটনের পাশাপাশি নিজের মুখচ্ছবি রাখার নির্দেশ দিয়েছেন ট্রাম্প। ‘ট্রাম্প আরএক্স’-এর মতো একাধিক সরকারি প্রকল্পের নামকরণেও তাঁর প্রভাব দেখা গিয়েছে। এমনকি রিপাবলিকান সমর্থকদের একাংশ মাউন্ট রাশমোরে বিদ্যমান চার প্রাক্তন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে ট্রাম্পের মুখাবয়ব খোদাই করার দাবিও তুলেছেন।

আরও পড়ুন: নতুন দিশা পাচ্ছে ভারত-ইকুয়েডর সম্পর্ক! বিদেশমন্ত্রীদের বৈঠকে কী নিয়ে হল আলোচনা?
বিশ্লেষকদের মতে, এই সমস্ত পদক্ষেপের মাধ্যমে ট্রাম্প (Donald Trump) এমন এক দৃশ্যমান উত্তরাধিকার গড়ে তুলতে চাইছেন, যা তাঁর রাজনৈতিক জীবনের পরেও দীর্ঘদিন স্মরণীয় হয়ে থাকবে। ইতিমধ্যেই ওয়াশিংটন ডিসিতে ‘আর্ক ডি ট্রাম্প’ নামে একটি বিজয় স্মারক তৈরির পরিকল্পনার কথাও ঘোষণা করা হয়েছে। ফলে ‘প্যাট্রিয়ট পাসপোর্ট’ শুধু একটি প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নয়, বরং ট্রাম্পের দীর্ঘমেয়াদি রাজনৈতিক বার্তারই অংশ বলে মনে করা হচ্ছে।












