বাংলা হান্ট ডেস্ক: এবার একটি অত্যন্ত বড় আপডেট সামনে এসেছে। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী জানা গিয়েছে যে, পথ দুর্ঘটনা রোধ এবং দায়িত্বশীল ড্রাইভিংকে উৎসাহিত করার জন্য সরকার একটি গ্রেড-ভিত্তিক ড্রাইভিং লাইসেন্স (Driving Licence) ব্যবস্থা চালু করার পরিকল্পনা করছে। যার অধীনে, ট্রাফিক নিয়মের লঙ্ঘনের জন্য পয়েন্ট কাটা হবে এবং গুরুতর অথবা বারবার লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে লাইসেন্স স্থগিত বা বাতিল পর্যন্ত করা হতে পারে। ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক মন্ত্রী নীতিন গড়করি বৃহস্পতিবার বলেছেন যে, দেশে গাড়ি চালানোর সময়ে মোবাইল ফোনের ব্যবহার থেকে শুরু করে দ্রুতগতি এবং মদ্যপ অবস্থায় ড্রাইভিংয়ের কারণে দেশে প্রতি বছর প্রায় ১.৮ লক্ষ মানুষের মৃত্যু ঘটে।
বারংবার ভুল করলেই বাতিল হতে পারে ড্রাইভিং লাইসেন্স (Driving Licence):
এমতাবস্থায়, দিল্লিতে কনফেডারেশন অফ ইন্ডিয়ান ইন্ডাস্ট্রি (CII) আয়োজিত জাতীয় সড়ক নিরাপত্তা সম্মেলনে বক্তৃতা দিতে গিয়ে তিনি বলেন যে, মানুষের জীবন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং সরকার পথ নিরাপত্তা উন্নত করার জন্য বেশ কয়েকটি পদক্ষেপ নিচ্ছে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী উল্লেখ করেন যে সরকার ইতিমধ্যেই ট্রাফিক নিয়ম লঙ্ঘনের জন্য জরিমানা বাড়িয়েছে। কিন্তু সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হল নিয়মের কার্যকর প্রয়োগ। নীতিন গড়করি বলেন, “আমরা ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য একটি ‘গ্রেডেড পয়েন্ট সিস্টেম’ চালু করছি।”

মন্ত্রী আরও বলেন, ট্রাফিক নিয়ম লঙ্ঘনের জন্য নির্দিষ্ট কিছু পয়েন্ট কাটা হবে। যদি সমস্ত পয়েন্ট শেষ হয়ে যায়, সেক্ষেত্রে লাইসেন্স ছয় মাসের জন্য স্থগিত করা যেতে পারে অথবা বারবার অপরাধ করলে তা বাতিল করা যেতে পারে। এই প্রকল্পটি শীঘ্রই চালু করা হবে। সড়ক নিরাপত্তা দেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়।
আরও পড়ুন: সাফাইকর্মীদের বেতন ২ লক্ষ, ড্রাইভাররা পান ১ লাখ! সবাইকে চমকে দিচ্ছে ভারতের এই রাজ্য
গড়করি বলেন, ভারতে প্রতি বছর প্রায় ৫,০০,০০০ সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে, যার ফলে ১.৮ লক্ষ মানুষ প্রাণ হারান। দুর্ঘটনায় মারা যাওয়া ৭২ শতাংশের বয়স ১৮-৪৫ বছর। এদিকে, হেলমেট না পরার কারণে ৫৪,১২২ জন মারা গেছেন। ১৮ বছরের কম বয়সী ১০,১১৯ জন দুর্ঘটনায় মারা গেছেন।
আরও পড়ুন: ১ ওভারে ৩৬ রান খরচ! IPL ২০২৬-এর আগে KKR-এর চিন্তা বাড়ালেন এই ভারতীয় বোলার
অপরদিকে, সিট বেল্ট না পরার কারণে ১৪,৪৬৬ জন মারা গেছেন। এছাড়াও, দ্রুতগতিতে গাড়ি চালানোর কারণে ১.২ লক্ষ মারা গেছেন। এমতাবস্থায়, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জনসাধারণের কাছে কেউ দুর্ঘটনার শিকার হলে দুর্ঘটনাগ্রস্তকে সাহায্য করার জন্যও আবেদন করেছেন।












