Durga Puja 2026 Live Updates

আদালতের শর্ত অমান্য করে ফের বিক্ষোভ! তিহার জেলে পাঠানো হল ‘ককরোচ’ নেতাদের

Published on:

Published on:

Saurav Das-Ashutosh Ranka remanded for 5 days for holding another CJP Protest by defying court orders
Follow

বাংলাহান্ট ডেস্ক: নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে ফের বিক্ষোভ দেখানোর অভিযোগে গ্রেফতার করা হল তিন ‘ককরোচ’ (CJP Protest) নেতা সৌরভ দাস (Saurav Das), আশুতোষ রাঙ্কা (Ashutosh Ranka) এবং অজিঙ্কা শিন্ডেকে (Ajinkya Shinde)। তাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, এক বছরের জন্য কোনও প্রতিবাদ কর্মসূচিতে যোগ না দেওয়ার শর্তে জামিন পাওয়ার পরও মঙ্গলবার তাঁরা দিল্লির যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ দেখান। পরিস্থিতি সামাল দিতে গিয়ে পুলিশের কাজে বাধা দেওয়া এবং আগের শান্তির বন্ডের শর্ত ভাঙার অভিযোগও উঠেছে তাঁদের বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে পাঁচ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। অন্যদিকে, অজিঙ্কা শিন্ডেকে নতুন করে বন্ডে স্বাক্ষর করিয়ে মুক্তি দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজধানীর রাজনৈতিক মহলে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে।

আদালতের শর্ত অমান্য করে ফের ‘আরশোলাদের’ বিক্ষোভ (CJP Protest), ৫ দিনের জেল হেফাজত ২ CJP নেতার:

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, যন্তর মন্তরে জমায়েতের ক্ষেত্রে একাধিক বিধিনিষেধ জারি রয়েছে। ওই এলাকাকে বর্তমানে নির্দিষ্ট প্রতিবাদস্থল হিসেবে ব্যবহার করার অনুমতি না থাকায় সেখানে বিক্ষোভ দেখাতে গেলে প্রশাসনের অনুমতি ও নির্দেশিকা মেনে চলা প্রয়োজন। অভিযোগ, মঙ্গলবার সেই বিধিনিষেধ অমান্য করেই বিক্ষোভ দেখান তিন নেতা। তাঁদের বিরুদ্ধে অনধিকার প্রবেশ, সরকারি কাজে বাধা দেওয়া এবং আগের শান্তির বন্ডের শর্ত ভঙ্গের অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে। যদিও ঘটনাটি নিয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য এবং পুলিশের অভিযোগের স্বাধীনভাবে যাচাই করা বিস্তারিত তথ্য সামনে না আসা পর্যন্ত অভিযোগগুলিকে চূড়ান্ত সত্য হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। তবে এই ঘটনায় প্রশাসন যে কড়া পদক্ষেপ করেছে, তা স্পষ্ট (CJP Protest)।

আরও পড়ুন: আর চিন্তা নেই! মাত্র ৫ টাকা দিলেই মিলছে ‘অন্নপূর্ণা যোজনা’, পুজোর বাজারে এই কেসটা কী?

গ্রেফতারের পর প্রথমে তিনজনকে দিল্লির জাফরপুর কালান থানায় নিয়ে যাওয়া হয় বলে জানা গিয়েছে। পরে রাত পেরিয়ে ভোর প্রায় তিনটে নাগাদ পুলিশের একটি ভ্যানে তাঁদের পার্লামেন্ট স্ট্রিট থানায় নিয়ে আসা হয়। সকালে তাঁদের পেশ করা হয় দিল্লির মন্দির মার্গ থানার অধীন স্পেশাল এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে। সেখানেই সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে পাঁচ দিনের জেল হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়। অন্যদিকে, অজিঙ্কা শিন্ডেকে বন্ডে স্বাক্ষর করিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে বলে খবর। আদালতের এই নির্দেশের পর দুই নেতাকে তিহার জেলে নিয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

এই ঘটনার মধ্যেই অভিযুক্তদের আইনজীবীদের তরফে নতুন করে অভিযোগ তোলা হয়েছে। তাঁদের দাবি, গ্রেফতারের পর আইনজীবীদের সঙ্গে দেখা করার সুযোগও দেওয়া হচ্ছে না। এমন অভিযোগ সত্যি হলে তা আইনি প্রক্রিয়া ও অভিযুক্তদের অধিকার নিয়ে প্রশ্ন তুলতে পারে। তবে এ বিষয়ে পুলিশের বক্তব্য বা আদালতের কোনও পর্যবেক্ষণ সামনে এসেছে কি না, তা স্পষ্ট নয়। এদিকে, সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কার আইনজীবীরা তাঁদের মুক্তির জন্য নতুন করে আইনি পদক্ষেপ করতে পারেন। জানা যাচ্ছে, জামিনের আবেদন নিয়ে পাতিয়ালা হাউস কোর্টের দ্বারস্থ হওয়ার প্রস্তুতি চলছে। ফলে আগামী দিনে আদালতে এই মামলার শুনানি ও পুলিশের অভিযোগের ভিত্তি নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হতে পারে।

Saurav Das-Ashutosh Ranka remanded for 5 days for holding another CJP Protest by defying court orders

আরও পড়ুন: DA বৃদ্ধি নিয়ে চর্চা চলছে! এর মাঝেই সরকারি কর্মীদের বেতন বৃদ্ধি নিয়ে বড় আপডেট

উল্লেখ্য, আগের মামলায় এক বছরের জন্য কোনও প্রতিবাদ কর্মসূচিতে যোগ না দেওয়ার শর্তে জামিন পাওয়ার পরও ফের বিক্ষোভে অংশ নেওয়ার অভিযোগই এই গ্রেফতারির অন্যতম প্রধান কারণ বলে পুলিশ জানিয়েছে। সেই সঙ্গে যন্তর মন্তরে জমায়েত সংক্রান্ত বিধিনিষেধ অমান্য এবং সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে। তবে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের চূড়ান্ত নিষ্পত্তি হবে আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই। আপাতত সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কার পাঁচ দিনের জেল হেফাজত এবং অজিঙ্কা শিন্ডের বন্ডে মুক্তি—এই দুই ঘটনাই নজরে রয়েছে। আগামী শুনানিতে জামিনের আবেদন এবং পুলিশের অভিযোগ নিয়ে আদালত কী সিদ্ধান্ত নেয়, সেদিকেই এখন নজর রাজনৈতিক মহল ও সংশ্লিষ্টদের (CJP Protest)।