বাংলা হান্ট ডেস্কঃ সমানে তাপমাত্রা বাড়ছে। দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে তাপপ্রবাহের পরিস্থিতি এপ্রিলের শুরু থেকেই। এখনই এই অবস্থা, জুন-জুলাইয়ে কী হবে তা ভেবেই চিন্তায় সাধারণ মানুষ। এই পরিস্থিতিতে রাজ্যের যে সমস্ত সরকারি স্কুলে (Government School) সেই সব স্কুলে ক্লাসের সময় (School Timing) অর্থাৎ স্কুল টাইমিং এগিয়ে আনার জন্য আবেদন করলেন শিক্ষকদের একাংশ।
এগিয়ে আসবে স্কুলের সময়? School Timing
স্কুলে ক্লাসের সময় এগিয়ে আনার জন্য বিকাশ ভবনে স্মারকলিপি দিয়েছেন শিক্ষকদের একাংশ। গরম বাড়লেও গরমের ছুটি পড়তে এখনও দেরি। এই আবহে শিক্ষকেরা জানাচ্ছেন, যে সব স্কুলে কেন্দ্রীয় বাহিনী রয়েছে, সেসব স্কুল বন্ধ থাকলেও বাকি সব স্কুল খোলা রয়েছে। তীব্র গরমে রোজ স্কুলে যেতে পড়ুয়াদের কষ্ট হচ্ছে। সেই কথা মাথায় রেখেই শিক্ষাসচিবকে স্মারকলিপি দেওয়া হয়েছে।
শিক্ষকদের মতে, প্রাথমিকের পড়ুয়াদের বেশি কষ্ট হচ্ছে। গ্রামাঞ্চলের বহু প্রাথমিক স্কুলেই দু’টি বা তিনটি শ্রেণিকক্ষে ঠাসাঠাসি করে বসতে হয়। অনেক স্কুলে যথেষ্ট সংখ্যক পাখার ব্যবস্থা নেই। ফলে, দুপুরের দিকে তীব্র তাপপ্রবাহের জেরে পড়ুয়াদের কষ্ট হচ্ছে।
আগামী ১১ মে থেকে গরমের ছুটি রাজ্যের স্কুলগুলিতে। তাই ১১ মে পর্যন্ত ক্লাসের সময় এগিয়ে আনার দাবি তুলেছেন শিক্ষকরা। পড়ুয়াদের স্বাস্থ্যের কথা বিবেচনা করে ক্লাসের সময় এগিয়ে আরও সকালের সময় নিয়ে আসার আবেদন জানানো হয়েছে।

আরও পড়ুন: ভবানীপুরে কে জিততে চলেছেন? মমতা না শুভেন্দু, সামনে চাঞ্চল্যকর সমীক্ষার রিপোর্ট
পাশাপাশি পড়ুয়াদের জন্য স্কুলে যাতে যথেষ্ট পরিমাণ পানীয় জল এবং ওআরএস রাখা হয় সেই দাবিও রাখা হয়েছে। শিক্ষকদের আশঙ্কা অসহ্য গরমে পড়ুয়ারা অসুস্থ হয়ে পড়তে পারে। মর্নিং স্কুল চালু হলে অনেকটাই সমস্যা কমবে।












