গরমে শিশুদের সুরক্ষা, স্কুলে ORS খাওয়ানো বাধ্যতামূলক করল সরকার

Published on:

Published on:

Schools to prevent heat-related illnesses
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্ক: একদিকে চলছে রাজ্যের দ্বিতীয় দফার বিধানসভার নির্বাচন। এই নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজ্য রাজনীতি উত্তাল হয়ে রয়েছে বর্তমানে। গরমে পুড়ছে চারিদিক। এই গরমের পরিস্থিতিতে শুধু স্কুলের সময়সীমা এগনো নয়, আরো বেশ কিছু সিদ্ধান্ত নিল সরকার। এখন থেকে স্কুলের ছুটির আগে শিশুরা ওআরএস খাবে (School)। এমনটাই সিদ্ধান্ত দিল দিল্লির রেখা গুপ্তের সরকার।

গরমে অসুস্থতা রুখতে স্কুলে ORS বাধ্যতামূলক (School)

তাপপ্রবাহের কবল থেকে সকলকে বাঁচাতে নানান রকম পদক্ষেপ ও কর্মপরিকল্পনা নিয়েছে দিল্লি সরকার। এবার নয়ডার স্কুলে ক্লাস শুরু হবে গরমের সময় সকাল ৭:৩০ থেকে। পাশাপাশি দিল্লি এনআরসি এলাকার স্কুলছাত্রছাত্রীদের তীব্র গরম থেকে রক্ষা করতে সরকার ওআরএস খাওয়ানোরও ব্যবস্থা নিল। পাশাপাশি রাজধানীর প্রবল গরমে শিশুদের হিটস্ট্রোক ও ডিহাইড্রেশনের হাত থেকে বাঁচাতে দিল্লির স্কুলে স্কুলে ওআরএস দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই বিষয়ে দিল্লি সরকারের স্কুলগুলির প্রায় ১৫ লক্ষ এবং এমসিডি স্কুলগুলির প্রায় ৬ লক্ষ শিশুকে এই ওআরএস দেওয়া হবে, যা মোট প্রায় ২১ লক্ষ শিশু (ORS in School)।

Schools to prevent heat-related illnesses

আরও পড়ুন: ফের কমল সোনার দাম! জানুন এপ্রিলের শেষ সপ্তাহে বাজারে হলুদ ধাতুর দর কত?

এই বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় মানবিক ও বৈজ্ঞানিক প্রস্তুতি গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন। যার মধ্যে স্কুল ছুটির আগে শিশুদের ওআরএস খাওয়ানোর বিষয়টিও রয়েছে। পাশাপাশি বন্ধ রাখা হয়েছে নির্মল স্থলে শ্রমিকদের কাজ করা।

এছাড়াও দক্ষিণ দিল্লির আয়ানগর এবং পশ্চিম দিল্লির নজফগড় ও সফদরজং সহ বেশ কয়েকটি এলাকায় ইতিমধ্যেই রেকর্ড তাপমাত্রা অনুভূত হয়েছে। পাশাপাশি ওয়াজিরপুর, জাহাঙ্গিরপুরী, খায়ালা, শাস্ত্রী পার্ক, বিশ্বাস নগর, হরকেশ নগর, হরি নগর এবং দিল্লি গেটকেও সংবেদনশীল এলাকা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

এই বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা জানিয়েছেন, তাপপ্রবাহ মোকাবিলার জন্য ‘কুল রুফ পলিসি ২০২৬’-এর কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলেছে। বাসস্টপগুলিতে উচ্চচাপের মিস্ট সিস্টেম স্থাপন করা হচ্ছে । তাছাড়া দিল্লিতে তাপমাত্রা ক্রমাগত বাড়তে থাকায় তাপপ্রবাহ জারি রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে তাপপ্রবাহে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে। এইমস, সফদরজং হাসপাতাল, আরএমএল হাসপাতাল এবং লেডি হার্ডিঞ্জ মেডিকেল কলেজের আউট ডোরে প্রতিদিন ৮০ জনেরও বেশি রোগী ভিড় করছেন (School)।