বাংলা হান্ট ডেস্ক:সামনেই আসছে দোল পূর্ণিমা। এই সময় বহু মানুষ বেড়াতে যায়। কারণ একসাথে দু-তিন দিন ছুটি পাওয়া যায়। দোলের সময় যেকোনও টুরিস্ট স্পটে খুব ভিড় হয়। উত্তরবঙ্গের (North Bengal) ডুয়ার্স, গরুমারা অভয়ারণ্য (Gorumara National Park), এই অঞ্চল গুলি খুব ভালো টুরিস্ট স্পট। তাই এগুলোতে এই সময় ভিড় থাকবে। বলা বাহুল্য দোলের সময় অনেকেই এই সব জায়গায় ঘুরতে যান, কিন্তু তাদের মধ্যেই ছদ্মবেশে থাকে চোরাশিকারীরা।
গরুমারা অভয়ারণ্যতে (Gorumara National Park) বাড়ানো হল নিরাপত্তা:
আসলে দোলে অনেক জায়গায় শিকার উৎসবের প্রচলন আছে। ফলে এই সময় জঙ্গলে ঢুকে শিকার করার প্রবণতা বাড়ে। তাই এ ব্যাপারে বনদপ্তর সচেতনতার প্রচার করছে নিরন্তর এবং জঙ্গলের নিরাপত্তাও বাড়িয়েছে।
বনদপ্তরের আধিকারিকদের মতে এই সময় মুন পেট্রোলিং করা হয়, কারণ অন্য সময় জঙ্গলের ভেতর অন্ধকার থাকায়, স্পষ্ট দেখা যায় না সবকিছু। কিন্তু দোলের সময় পূর্ণিমা থাকায় চাঁদের আলোতে সবকিছু স্পষ্ট হয়ে ওঠে। ফলে এই সময় চোরা শিকারিরা সক্রিয় হয়ে ওঠে। কারণ জঙ্গলের ভিতরে স্পষ্ট দেখা যায় আর সেই সুযোগটাকে কাজে লাগায় চোরা শিকারীরা। ২০১৭ সালে উত্তর-পূর্বে চোরাশিকারিদের নিশানা হয় গরুমারার গন্ডার।
আরও পড়ুন:উদ্বুদ্ধ করেছেন মূলস্রোতে ফিরতে! মাওবাদীদের অস্ত্র ছাড়ার নেপথ্যে তেলেঙ্গানার পুলিশকর্তা বি সুমতি
এরপর থেকে বন্যপ্রাণীদের নিরাপত্তা অনেক বাড়িয়ে দেওয়া হয়। এই সময় থেকেই মূলত শুরু হয় মুন পেট্রোলিং। গরুমারা বন্যপ্রাণী বিভাগের রেঞ্জ অফিসার ধ্রুবজ্যোতি বিশ্বাস জানান, দোল ও হোলি উৎসবকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা কয়েকগুণ বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। রাতেও জঙ্গলের আনাচে কানাচে নজরদারি চলছে। মুন লাইট পেট্রোলিং চলবে। অনুমতি ছাড়া জঙ্গলে প্রবেশের উপরেও নিষেধাজ্ঞা রয়েছে বলে জানা গেছে।
আরও পড়ুন:বঙ্গে ভোটের আগে ২৩ পুলিশ অফিসারের বদলি! পূর্ব মেদিনীপুরের দায়িত্বে পারিজাত

উত্তরবঙ্গের বন্যপ্রাণী বিভাগের মুখ্য বনপাল ভাস্কর জেভি জানান, প্রতিটি জঙ্গলেই নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। হোলি উৎসবে পরবর্তী ৭ দিন জঙ্গল ও সংলগ্ন এলাকায় নজরদারি চলবে। দোলের আগে থেকেই পুলিশ সতর্ক আছে, আশা করা যায় পুলিশি তৎপরতায় ব্যর্থ হবে চোরাশিকারীদের চক্রান্ত।












