ইরানকে সরাসরি হুমকি! মার্কিন সেনার বিশেষ অভিযান ঘিরে হরমুজ প্রণালীতে নিরাপত্তা জোরদার

Published on:

Published on:

Follow

বাংলাহান্ট ডেস্ক: পশ্চিম এশিয়ার ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মাঝেই হরমুজ প্রণালীতে (Strait of Harmuz) বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিশেষ সামরিক অভিযান শুরু করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। সোমবার থেকে শুরু হওয়া এই অভিযানের নাম দেওয়া হয়েছে ‘অপারেশন প্রজেক্ট ফ্রিডম’। বিশ্ব বাণিজ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথে নিরাপত্তা জোরদার করাই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য বলে জানিয়েছে মার্কিন প্রশাসন।

মার্কিন সেনার বিশেষ অভিযান ঘিরে হরমুজ প্রণালীতে (Strait of Harmuz) নিরাপত্তা জোরদার

মঙ্গলবার পেন্টাগনে এক সাংবাদিক বৈঠকে মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, হরমুজ় প্রণালীতে কোনও বাণিজ্যিক জাহাজ হামলার শিকার হলে তার জন্য ইরানকে কঠোর মূল্য চোকাতে হবে। তাঁর বক্তব্য, এই অভিযানের সময় যদি কোনও জাহাজকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়, তবে যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি ইরানের বিরুদ্ধে ভয়াবহ সামরিক পদক্ষেপ নিতে দ্বিধা করবে না।

আরও পড়ুন: ‘আমি কে’ পাইলট কার দেখে হতবাক শমীক, বিজেপির জয়ে কী বললেন রাজ্য সভাপতি ?

তিনি আরও জানান, এই সামরিক অভিযানের লক্ষ্য হল পারস্য উপসাগর এবং ওমান উপসাগরকে সংযুক্ত করা এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথে একটি ‘নিরাপদ করিডোর’ তৈরি করা। বিশ্ব অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই রুটে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ তেল ও পণ্য পরিবহণ হয়। ফলে এই অঞ্চলে অশান্তি সৃষ্টি হলে তার প্রভাব পড়তে পারে বৈশ্বিক অর্থনীতির উপর।

অন্যদিকে, মার্কিন সেনার জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের প্রধান ড্যান কেন জানান, মার্কিন বাহিনী সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে। তাঁর কথায়, নির্দেশ পেলেই সেনা ইরানের বিরুদ্ধে বড় ধরনের সামরিক অভিযান চালাতে সক্ষম। পাশাপাশি তিনি উল্লেখ করেন, এই অভিযান আপাতত সাময়িক হলেও পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে এর মেয়াদ বাড়ানো হতে পারে।

Security tightened in the Strait of Harmuz amid a special operation by US forces.

আরও পড়ুন: বঙ্গজয়ে মোদীকে শুভেচ্ছা, বাংলার ভোট নজর কাড়ল ট্রাম্পেরও!

মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড বা সেন্টকমের তরফে জানানো হয়েছে, এই অভিযানের মূল উদ্দেশ্য হল বাণিজ্যিক জাহাজগুলির নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করা। তাদের দাবি, হরমুজে (Strait of Harmuz) ‘অপারেশন প্রজেক্ট ফ্রিডম’ সফল হলে শুধু আঞ্চলিক স্থিতিশীলতাই নয়, বিশ্ব অর্থনীতিও উপকৃত হবে। তবে এই পদক্ষেপের জেরে পশ্চিম এশিয়ায় উত্তেজনা আরও বাড়তে পারে বলেই আশঙ্কা করছেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষকরা।