বাংলা হান্ট ডেস্ক : রবীন্দ্র সরোবর কাণ্ডে নাম জড়ানোর পর থেকেই পলাতক বিশ্বজিৎ পোদ্দার ওরফে সোনা পাপ্পুকে (Sona Pappu Case) ঘিরে বাড়ছে রহস্য। তদন্তকারীদের অনুমান, রাজ্যের বাইরে কোথাও রয়েছেন তিনি। এখনও পর্যন্ত তাঁর খোঁজ মেলেনি। তবে ভিনরাজ্যে লুকিয়ে থাকলেও কী ভাবে তাঁর কাছে টাকার জোগান পৌঁছচ্ছে, তা এখন খতিয়ে দেখছে তদন্তকারী দল।
সোনা পাপ্পু মামলায় (Sona Pappu Case) তদন্তকারী দল
পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, হাওয়ালা মারফত অর্থ পাঠানো হতে পারে সোনা পাপ্পুর কাছে। গত এপ্রিলে সোনা পাপ্পুর বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় ২ কোটি টাকা উদ্ধার করেছিল ইডি। পাশাপাশি একটি বিলাসবহুল গাড়ি এবং একাধিক সম্পত্তির নথিও বাজেয়াপ্ত করা হয়।
সোনা পাপ্পুর বিরুদ্ধে একাধিক এফআইআর দায়ের রয়েছে। এমনকি তার বিরুদ্ধে কসবা এবং বালিগঞ্জ এলাকার বিভিন্ন সিন্ডিকেটের নিয়ন্ত্রণ রাখার খবর মিলেছে। সোনা পাপ্পুর মামলার তদন্তে বেহালার ব্যবসায়ী জয় কামদারকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
একই তদন্তের সূত্রে গত মাসে ফার্ন রোডে কলকাতা পুলিশের কর্তা শান্তনু সিংহ বিশ্বাসের বাড়িতে তল্লাশি চালায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। এপ্রিলে ফেসবুক লাইভে এসে বিজেপি প্রার্থী রাকেশ সিংহকে নিশানা করে একটি গাড়ির ভিতরে বসে সোনা পাপ্পু বলেছিলেন, “আবার লাইভে আসতে বাধ্য হলাম। ব্রেকিং নিউজ এবার আমি দিতে চাই। দুষ্কৃতী রাকেশ সিংহ, তোলাবাজ রাকেশ সিংহ, অজস্র কেসের আসামি, রেপ কেসের আসামি, এনডিপিএস রাকেশ সিংহ বন্দর এলাকায় বিজেপির প্রার্থী হয়েছে।” সেই সময় পর্যন্ত রাকেশ সিংহের প্রার্থীপদ আনুষ্ঠানিক ভাবে ঘোষণা করেনি বিজেপি।

আরও পড়ুন : বিরাট ব্যবধানে হারিয়েছেন তৃণমূলকে, এবার মন্ত্রী হচ্ছেন অভয়ার মা রত্না দেবনাথ?
তদন্তকারীরা এখন খতিয়ে দেখছেন, কোন জায়গা থেকে ওই ফেসবুক লাইভ করেছিলেন সোনা পাপ্পু। প্রাথমিক তদন্তে তাদের অনুমান, দক্ষিণ ভারতের কোনও রাজ্যে গা ঢাকা দিয়ে থাকতে পারেন তিনি। পলাতক সোনা পাপ্পুর খোঁজ এবং তাঁর আর্থিক লেনদেনের উৎস খুঁজতেই এখন মাঠে নেমেছে তদন্তকারী দল।













