‘এবার বুঝেছেন কার পাল্লায় পড়েছে’, হুমায়ূনের কান্না প্রসঙ্গে মুখ খুললেন সৌমিত্র খাঁ

Updated on:

Updated on:

Soumitra Khan reacts to Humayun Kabir leaving active politics
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ রাজ্যের দুই বিধানসভা নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরে (Rejinagar) ভোট ছিল গত ৬ই অক্টোবর। ভোটার ফল প্রকাশ হবে আগামীকাল অর্থাৎ ৯ই অক্টোবর। তবে তার আগেই হুমায়ুন কবিরের (Humayun Kabir) দৌলতে একপ্রকার নাটকীয় মোড় চলছে রেজিনগরে! এমনটাই বক্তব্য রাজ্যের বর্তমান শাসকদলের। নেতা-মন্ত্রীদের। ইতিমধ্যেই পুলিশের ভুমিকা নিয়ে অভিযোগ করে কাঁদতে কাঁদতে সক্রিয় রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়ানোর কথা জানিয়েছেন হুমায়ুন। এই মন্তব্যের পাল্টা কি প্রতিক্রিয়া দিলেন সৌমিত্র খাঁ (Soumitra Khan)? চলুন দেখে নেওয়া যাক।

স্বেচ্ছা অবসর ঘোষণা হুমায়ূন কবিরের

কাঁদতে কাঁদতে হুমায়ুন কবির বলছেন রাজনীতি থেকে অবসর নেবেন। এই কথা শোনা মাত্রই সৌমিত্র বলেন, হ্যাঁ নিয়ে নিন। তাড়াতাড়ি নিয়ে নিন, দেরি করছেন হুমায়ুন দা। তিনি পরে বুঝতে পেরেছেন কোন পাল্লায় পড়েছি। আপনাকে একটা কথা বলে রাখি, মানুষের প্রতি দাদাগিরি চলবে না পশ্চিমবঙ্গে। মানুষকে ভয় দেখিয়ে ভোট লুট করা চলবে না। তাই এগুলো যখন বন্ধ হয়ে গেছে, আপনারা আর রাজনীতি কি করে করবেন!

এখানেই শেষ নয়, তিনি আরও বলেন, রাজনীতি বলে যান কারণ আমি এটুকু বলতে পারি আমাদের শুভেন্দু অধিকারী এখন সামনের ৫০ বছর মুখ্যমন্ত্রী থাকবেন। সুৰরং হুমায়ুন দাকে আর কখনোই আসতে হবে না।

আরও পড়ুনঃ ‘৪২টা সিটই BJP পাবে’, গুজরাটের অনুষ্ঠান থেকে মোদীজিকে উপহার দেওয়ার ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

হুমায়ূনের মতে, তৃণমূল-সিপিএম ভালো ছিল। এই বক্তব্যের পাল্টা সৌমিত্র খাঁ জানান, এখন সেটা সময় বলবে। চোরে চোরে মাসতুতো ভাই। সব চোরেরা এক জায়গায় হাজির হবে। একইসাথে নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরে কোনো ভোটই হয়নি বলে যে অভিযোগ আসছে তার উত্তরে তিনি বলেন, এখন হারতে বসেছে জামানত জব্দ হবে আর কি বলব। আপনারা দেখেছেন, যে মানুষ ভোট দিয়েছে। কোনো জায়গায় কোনো র‌্যাজিং বা কোনো ছাপ্পা নেই।

প্রসঙ্গত, ভোটগ্রহণের দিন সকাল ৭টা বাজতেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হতে শুরু করে রেজিনগরে। পরিবারসহ ভোট দিতে গিয়ে আম জনতা উন্নয়ন পার্টির চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবির অভিযোগ করেন তাঁর বাড়ির সামনে পুলিশ মোতায়েন ছিল। পুলিশ বিজেপির হয়ে কাজ করছে। তারপর মুগুর নিয়ে সাধারণ মানুষদের দাঁড়াতে বলেন তিনি। কারণ পুলিশ নাকি সাধারণ মানুষের ভোট দানে বাঁধার সৃষ্টি করছে। এরপর পরিস্থিতি উত্তপ্ত হতে শুরু করে ও শেষমেশ পুলিশ টানতে টানতে ঘটনাস্থল থেকে হুমায়ূনকে নিয়ে যায়।