বাংলা হান্ট ডেস্কঃ রাজ্যে একাদশ-দ্বাদশ এবং নবম-দশম শ্রেণির শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে নতুন সূচি প্রকাশ করেছে স্কুল সার্ভিস কমিশন (SSC)। তবে এই সূচি প্রকাশের পরই নতুন করে সংশয় তৈরি হয়েছে। কারণ, একই সময়ে রাজ্যে বিধানসভা ভোট হওয়ার কথা। ফলে কমিশনের পক্ষে এই পুরো সময়সূচি ঠিকভাবে মানা সম্ভব হবে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে বিভিন্ন মহলে।
কমিশনের (SSC) বিজ্ঞপ্তিতে কী বলা হয়েছে?
বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষক নিয়োগের কাউন্সেলিং হওয়ার কথা রয়েছে ২৪, ২৫, ২৭ ও ২৮ মার্চ। এরপর ৬ থেকে ১১ এপ্রিল, ১৭ ও ১৮ এপ্রিল, ২০ থেকে ২৫ এপ্রিল, ২৭ থেকে ৩০ এপ্রিল এবং ৪ থেকে ৮ মে পর্যন্ত বিভিন্ন দিনে কাউন্সেলিং চলবে। এই পুরো প্রক্রিয়া হবে সল্টলেকে অবস্থিত এসএসসি-র (SSC) কেন্দ্রীয় দপ্তরে।
অন্যদিকে নবম-দশম শ্রেণির ক্ষেত্রে লিখিত পরীক্ষায় সফল প্রার্থীদের নথি যাচাই এবং ইন্টারভিউ প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার কথা ২৩ থেকে ২৫ মার্চ। এছাড়াও ২৭ ও ২৮ মার্চ, ৬ থেকে ১১ এপ্রিল, ১৭ ও ১৮ এপ্রিল, ২০ থেকে ২৫ এপ্রিল, ২৭ থেকে ৩০ এপ্রিল, ৪ থেকে ৭ মে, ১১ থেকে ১৫ মে এবং ১৮ থেকে ২৩ মে পর্যন্ত এই ধাপ চলবে। এই যাচাই ও ইন্টারভিউ সংশ্লিষ্ট আঞ্চলিক অফিসগুলোতেই নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।
তবে এখানেই তৈরি হয়েছে ধন্দ। কারণ, দুই স্তরের নিয়োগ প্রক্রিয়াতেই হাজার হাজার যোগ্য চাকরিহারা এবং নতুন প্রার্থী রয়েছেন। ফলে একই সময়ে উচ্চমাধ্যমিক স্তরের কাউন্সেলিং এবং মাধ্যমিক স্তরের নথি যাচাই ও ইন্টারভিউ, দুটিতে একসঙ্গে কীভাবে উপস্থিত থাকবেন প্রার্থীরা, সেই প্রশ্ন উঠছে।

আরও পড়ুনঃ যুবসাথীর টাকা এখনও আসেনি? কেন দেরি হচ্ছে, কারা আগে পাচ্ছেন, জানুন
নবম-দশম স্তরে যোগ্য চাকরিহারা শিক্ষক এবং নথি যাচাইয়ের জন্য ডাক পাওয়া প্রার্থী রাকেশ আলম জানান, কমিশন (SSC) নিশ্চয়ই আলাদা মাধ্যম ও বিষয়ের ভিত্তিতে কাউন্সেলিং, নথি যাচাই এবং ইন্টারভিউয়ের ব্যবস্থা করবে বলেই আশা করছেন তাঁরা। প্রার্থীদের একাংশও মনে করছেন, বাস্তবে প্রয়োগের সময় কমিশন হয়তো সূচিতে কিছু পরিবর্তন আনতে পারে।












