কয়লাকাণ্ডে সুপ্রিম কোর্টে ইডি, লালাকে হেফাজতে নিতে মরিয়া কেন্দ্রীয় সংস্থা

Published on:

Published on:

Supreme Court allows Lala to be taken into custody
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্ক:কয়লা কেলেঙ্কারিতে এবার অনুপ মাজিকে হেফাজতে নেওয়ার জন্য সুপ্রিম কোর্ট (Supreme court)-এর কাছে আবেদন জানালো ইডি (ED)। তিন বিচারপতির বেঞ্চে এই আবেদন জানানো হয়েছে। খবর অনুযায়ী জানা যাচ্ছে অনুপ মাজি বর্তমানে পুরুলিয়ায় আছেন।

 লালাকে হেফাজতে নেওয়ার অনুমতি দিল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme court)

কয়লা পাচার কাণ্ডের মূল অভিযুক্ত অনুপ মাজি ওরফে লালাকে নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার জন্য আজই অনুমতি পেল ইডি। এর আগে অনেকবারই লালাকে তলব করা হয়েছে, কিন্তু তিনি হাজিরা এড়িয়ে যেতেন প্রত্যেকবার। ২০২৪ সালে আসানসোল আদালত লালাকে আত্মসমর্পনের নোটিশ দেয়। তার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার কথাও বলেন বিচারক। কিন্তু তার মধ্যে তিনি পেয়েছিলেন সুপ্রিম কোর্ট থেকে রক্ষাকবচ।

ইডি লালাকে হেফাজতে নিতে চাইলেও তদন্তের ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধক ছিল লালার কোর্টের রক্ষাকবচ। মঙ্গলবার সেই অনুমতিই পেল ইডি। পুরুলিয়ার রঘুনাথপুরে দরিদ্র পরিবারের সন্তান লালা মাছের ব্যবসা করতেন। কাজের খোঁজে তিনি পশ্চিম বর্ধমানের আসানসোলে সালানপুরে যান।

আরও পড়ুন:সিপিএম ছাড়লেন প্রতীক-উর রহমান, বিধানসভা ভোটের আগেই যোগদান তৃণমূলে? জল্পনা তুঙ্গে

সালানপুরে গিয়েই তার এই বেআইনি কাজে হাতে খড়ি হয়। লালার সঙ্গী ছিল জয়দেব মন্ডল, বিনয় মিশ্ররা। বিনয় মিশ্র দীর্ঘদিন ধরে পলাতক আর জয়দেব মন্ডল কয়লা পাচার কাণ্ডে জেল খাটলেও এখন জামিনে মুক্ত আছে। লালাকে এর আগে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা হেফাজতে পায়নি। ২০২৫ সালে জুলাইয়ে সুপ্রিম কোর্ট লালার আগাম জামিনের আবেদন খারিজ করেছিল। কয়লা খাদান থেকে বেআইনিভাবে কয়লা তুলে বাজারে পাচারের অভিযোগে অভিযুক্ত লালাকে ইসিএল, সিআইএসএফ এবং রেলের একাংশ সাহায্য করতেন বলে অভিযোগ ওঠে। সে সময় তার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই।

আরও পড়ুন:মধ্যবিত্তের নাগালে নতুন গাড়ি! নজরকাড়া লুক আর সাশ্রয়ী মাইলেজ নিয়ে বাজারে এল বাজাজ কিউট ২০২৬

Supreme Court allows Lala to be taken into custody

সুপ্রিম কোর্ট থেকে লালা যে রক্ষাকবচ পেয়েছিল তাতে শর্ত ছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারীদের তদন্তে সহায়তা করতে হবে। নিম্ন আদালতের নির্দেশ পালন করতে হবে। এলাকা ছেড়ে যেতে পারবেন না তিনি। এদিন বিচারপতি জানতে চান হেফাজতে নিয়ে কতদিন জেরা করতে সময় লাগবে। ইডির পক্ষে সলিসিটার জেনারেল এসভি রাজু জানান দুই সপ্তাহ।