বাংলা হান্ট ডেস্ক:দল ছেড়েছেন এসএফআইয়ের (SFI) প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি প্রতিক-উর রহমান (Pratikur Rahaman)। রবিবার দলকে চিঠি লিখলেন তিনি। দলের কঠোর অনুশাসন আর মেনে নিতে পারছিলেন না। এই তরুণ নেতা সোশ্যাল মিডিয়ায় চিঠিতে উল্লেখ করলেন, ‘আমি নিজেকে খাপ খাওয়াতে পারছি না’।
প্রতিক-উর রহমানের (Pratikur Rahaman) দল ছাড়ার ঘটনা নিয়ে তোলপাড়
প্রতিক-উর রহমানের সিপিএম ছাড়ার ঘটনা নিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে জল্পনা তুঙ্গে। অনেকেই মনে করছেন যে তিনি তৃণমূলে যোগ দিতে পারেন। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে দক্ষিণ ২৪ পরগনা থেকে তাকে প্রার্থী করা হতে পারে বলে ইঙ্গিত রয়েছে। সে ক্ষেত্রে তাকে মগরাহাট বিধানসভা থেকে টিকিট দেওয়া হতে পারে।
প্রতিক-উর রহমান যদিও তার দল ছাড়ার পর, তৃণমূলে যোগ দেওয়ার ব্যাপারে এখনও কিছু প্রকাশ্যে বলেননি। তিনি জানিয়েছেন, ‘ব্যক্তিগতভাবে আমার সঙ্গে কারও বিরোধ নেই। আমার যা বলার পার্টিতে বলেছি। সর্বোচ্চ নেতৃত্বের তরফে এখনও আমার সাথে যোগাযোগ করা হয়নি। এটা তো দলের অভ্যন্তরীণ বিষয়, আমি সবার সামনে বলবো না। সময় এলে মিডিয়াকে জানাবো’।
আরও পড়ুন:‘আমাকে খুনের…’, প্রাক্তন বিধায়ক ভিক্টরের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ স্ত্রীর!
সিপিএমে থাকতে গেলে দলীয় অনুশাসন মানা খুব জরুরী। দলে থাকতে হলে এটাই নিয়ম কারণ সেখানে ব্যক্তির চেয়ে দল বড়, এমনটাই বলা হয়ে থাকে। কিন্তু সেখানেই হয়তো তরুণ নেতা দলীয় অনুশাসনের এই পরাকাষ্ঠা আর বয়ে নিয়ে যেতে পারছিলেন না। তবে তার সিদ্ধান্তে জল্পনা উঠেছে। কারণ তিনি এর আগে লোকসভা নির্বাচনে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধেই দাড়িয়ে ছিলেন। আবারও তাকে সেখানে দেখা যাবে কিনা অন্য কোনও দলের হয়ে, সে নিয়ে রাজনৈতিক মহল চর্চায় সরগরম।
আরও পড়ুন:অনুপ্রবেশের চেষ্টা? ভারতের জলসীমায় ২৮ বাংলাদেশি মৎস্যজীবী! কড়া অ্যাকশন কোস্ট গার্ডের

অন্যদিকে প্রতিক-উর রহমানের দল ছাড়ার পর সেলিমকে আক্রমণ করেন তৃণমূলের রাজ্য সম্পাদক কুনাল ঘোষ। তিনি লেখেন, ‘এসএফআই শীর্ষ নেতা জেলা নেতা রাজ্য কমিটির কিছু দায়িত্বে থাকা ও গত লোকসভায় ডায়মন্ড হারবারে সিপিএম প্রার্থী প্রতিক- উর রহমান। সিপিএমকে সর্বস্তরে শূন্যতে নামানো সম্পাদক ও তার কিছু অযোগ্য বাতেলাবাজের কাঠিবাজিতে এই সিদ্ধান্ত বলে খবর’। মনে করা হচ্ছে দলের অভ্যন্তরীণ বিরোধের কারণেই এই তরুণ নেতা দল ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এখন তিনি পুরনো দলেই আবার ফিরে যাবেন কিনা, নাকি তৃণমূলে যোগ দেবেন, সেদিকে পাখির চোখ সকলের।












