SIR নিয়ে বড় ধাক্কা! ‘লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি’ মামলাই খারিজ করল সুপ্রিম কোর্ট

Published on:

Published on:

Supreme Court Dismisses Plea Challenging Logical Discrepancy in West Bengal SIR
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ পশ্চিমবঙ্গে চলা SIR প্রক্রিয়া নিয়ে লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি ক্যাটেগরিকে ঘিরে যে বিতর্ক শুরু হয়েছিল, তা শেষমেশ পৌঁছয় দেশের শীর্ষ আদালত সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court)। কিন্তু সোমবার সেই মামলাই খারিজ করে দিল সুপ্রিম কোর্ট। প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, এ ধরনের বিষয়ে সরাসরি হস্তক্ষেপ করবে না আদালত।

SIR প্রক্রিয়ায় ‘লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি’ ক্যাটেগরির সাংবিধানিক বৈধতাকে চ্যালেঞ্জ

SIR-এর হিয়ারিং পর্ব শুরু হওয়ার পর থেকেই ‘লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি’ নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক তুঙ্গে ওঠে। জাতীয় নির্বাচন কমিশনকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করে রাজ্যের শাসকদল। প্রক্রিয়ার শেষ পর্যায়ে এসে সেই বিতর্কই গড়ায় সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court)। পশ্চিমবঙ্গে SIR প্রক্রিয়ায় ‘লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি’ ক্যাটেগরির সাংবিধানিক বৈধতাকে চ্যালেঞ্জ করে মামলা দায়ের করেন মহম্মদ জিম ফরহাদ নওয়াজ নামে এক ব্যক্তি। তাঁর অভিযোগ, এই ক্যাটেগরির ভিত্তিতে তাঁকে নোটিস পাঠানো হয়েছে। তাই তিনি আবেদন জানান, এই ক্যাটেগরি বাতিল করা হোক এবং তাঁকে পাঠানো নোটিসও খারিজ করা হোক।

সোমবার মামলাটি শুনানির জন্য উঠলেও তা শুনতেই চাননি প্রধান বিচারপতি। প্রধান বিচারপতির পর্যবেক্ষণ ছিল, কোনও সাংবিধানিক ধারায় ব্যক্তির বাবা-মা বা ভাই কে, তা খতিয়ে দেখার দায়িত্ব সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court) নিতে পারে এমন প্রশ্ন তোলেন তিনি। আদালত জানায়, এ ধরনের বিষয় আইন অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হতে হবে।

প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি বিপুল এম পাঞ্চোলির বেঞ্চ শেষ পর্যন্ত মামলাটি খারিজ করে দেয়। তবে এর আগে শুনানির সময় যাতে সাধারণ মানুষকে অযথা হয়রানি না করা হয়, সে বিষয়ে নির্বাচন কমিশনকে একাধিক নির্দেশ দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)।

Beldanga violence: State faces setback in Supreme Court, NIA probe to remain in place

আরও পড়ুনঃ সাংবাদিককে সাংসদ করবে তৃণমূল? কে হবেন নতুন মুখ? জল্পনা তুঙ্গে

প্রসঙ্গত, পশ্চিমবঙ্গে SIR প্রক্রিয়া এখন শেষ পর্যায়ে। হিয়ারিং প্রক্রিয়া ইতিমধ্যেই শেষ হয়েছে এবং বর্তমানে স্ক্রুটিনি চলছে। আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে। খসড়া তালিকায় নাম থাকলেও যদি কারও নাম চূড়ান্ত তালিকায় না থাকে, তাহলে কমিশনের তরফে তার কারণ জানানো হবে। পাশাপাশি, ফের নাম তোলার সুযোগও থাকবে বলে রাজ্যের সিইও দপ্তর জানিয়েছে।