SIR-এর জন্যই হেরেছে দল! কল্যাণের অভিযোগে কী রায় সুপ্রিম কোর্টের?

Published on:

Published on:

Supreme Court Hears TMC’s Fresh Claim on SIR Impact
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা SIR-কে ঘিরে ফের বড় বিতর্ক তৈরি হল। তৃণমূল কংগ্রেসের অভিযোগ, বহু ভোটারের নাম তালিকা থেকে বাদ গিয়েছে বা এখনও আবেদন ঝুলে রয়েছে। আর তার প্রভাব পড়েছে বিধানসভা নির্বাচনের ফলেও। সোমবার সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) এই দাবি তুলে সরব হন তৃণমূল সাংসদ ও আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়।

SIR নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) তৃণমূলের অভিযোগ

সোমবার প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর বেঞ্চে SIR মামলার শুনানি চলছিল। সেই সময় কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় আদালতে (Supreme Court) বলেন, অনেক আসনে বিজেপির জয়ের ব্যবধান বাদ পড়া ভোটারের সংখ্যার থেকেও কম। তিনি আদালতকে মনে করিয়ে দেন, এর আগে বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী মন্তব্য করেছিলেন কোনও কেন্দ্রে জয়ের মার্জিন যদি বাদ পড়া ভোটারের সংখ্যার থেকে কম হয়, তাহলে সেই ফল আদালত খতিয়ে দেখতে পারে।

এর পর প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ তৃণমূলের আইনজীবীকে ইন্টারলোকিউটরি অ্যাপ্লিকেশন বা IA জমা দেওয়ার কথা বলে। অর্থাৎ, চলতি মামলার মধ্যেই এই বিষয় নিয়ে আলাদা অন্তর্বর্তী আবেদন জানাতে পারে তৃণমূল। এদিকে নির্বাচন কমিশনের আইনজীবী শেষাদ্রি নাইডু বলেন, তৃণমূল চাইলে নির্বাচন নিয়ে আলাদা মামলা করতে পারে। তবে শুধু SIR নিয়ে পৃথক আবেদন করার বিষয়ে তিনি আপত্তি জানান। যদিও আদালত জানায়, নির্বাচনের ফলে SIR-এর প্রভাব খতিয়ে দেখতে আলাদা আবেদন করা যেতে পারে।

শুনানিতে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় আরও দাবি করেন, বিজেপি ও তৃণমূলের মোট ভোটের ব্যবধান প্রায় ৩২ লাখ। অথচ ট্রাইব্যুনালে এখনও প্রায় ৩৫ লাখ ভোটারের আবেদন বিবেচনাধীন অবস্থায় রয়েছে। একটি কেন্দ্রের উদাহরণও তিনি তুলে ধরেন। তাঁর দাবি, সেখানে বিজেপি প্রার্থী ৮৬২ ভোটে জিতেছেন। অথচ SIR-এর ফলে ওই কেন্দ্রে ৫৪৩২ জনের নাম বাদ গিয়েছে।

Supreme Court issues stern message no change of mind after sseparation agreement

আরও পড়ুনঃ কলকাতা হাই কোর্টে জনস্বার্থ মামলা করল তৃণমূল কংগ্রেস

তৃণমূলের আর এক আইনজীবী মেনকা গুরুস্বামী আদালতে (Supreme Court) বলেন, ট্রাইব্যুনালে যে গতিতে কাজ চলছে, তাতে সব আবেদন শেষ হতে প্রায় চার বছর সময় লাগতে পারে। এর জবাবে প্রধান বিচারপতি জানান, ট্রাইব্যুনালের কাজ দ্রুত শেষ করার বিষয়টি আদালত বিবেচনা করে দেখবে।