শুনানি শেষ হতেই বড় সিদ্ধান্ত! ট্রাইবুনাল নিয়ে কী নির্দেশ দিল কমিশন?

Published on:

Published on:

Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ ভোটার তালিকা সংশোধন নিয়ে অনেক দিন ধরেই ঝামেলা চলছিল। কার নাম বাদ পড়েছে, কার নাম রাখা হয়েছে, তা নিয়ে অনেকেই অভিযোগ করেন। সেই বিষয়েই শুনানি হয় সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court)। শুনানি শেষে আদালত পরিষ্কার জানিয়ে দেয়, খুব দ্রুত এই সব সমস্যার সমাধান করতে হবে এবং ট্রাইবুনাল কীভাবে কাজ করবে, তা নিয়েও কিছু গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দেয়।

ভোটার তালিকা বিতর্কে ট্রাইবুনাল নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) নির্দেশ

আদালত (Supreme Court) জানিয়েছে, ৭ এপ্রিলের মধ্যে যেসব ভোটারের নাম নিয়ে সমস্যা চলছে, সেগুলোর সিদ্ধান্ত নিতে হবে। অর্থাৎ, ওই দিনের মধ্যেই ঠিক হয়ে যাবে কার নাম থাকবে আর কার নাম বাদ যাবে। ট্রাইবুনাল নিয়ে কমিশন জানায়, ইতিমধ্যেই ২০ মার্চ ১৯টি ট্রাইবুনাল তৈরি করা হয়েছে। সেখানে প্রাক্তন প্রধান বিচারপতিরা কাজ করছেন। জলশক্তি ভবনের অফিসে এই ট্রাইবুনাল বসবে এবং আট সপ্তাহের জন্য ওই জায়গা ব্যবহার করা হবে। কলকাতায় আলাদা করে অ্যাপেলেট ট্রাইবুনাল কাজ করবে।

বিচারকদের দ্রুত কাজ শুরু করার জন্য তাঁদের প্রশিক্ষণও দেওয়া হচ্ছে। বুধবারের মধ্যেই সেই প্রশিক্ষণ শেষ হবে বলে জানানো হয়েছে। অনলাইন ও অফলাইন, দুইভাবেই যে সব আবেদন জমা পড়েছে, সেগুলোর সব তথ্য বিচারকদের কাছে থাকবে। আবেদনকারীরা যে নথি জমা দিয়েছেন, সেগুলোও ট্রাইবুনালের কাছে রাখা হবে। আদালতে (Supreme Court) আরও বলা হয়েছে, যদি প্রয়োজন হয় তাহলে ট্রাইবুনালের সংখ্যা বা জায়গা বাড়ানো যেতে পারে। এমনকি দরকার হলে কমিশন সময় বাড়ানোর আবেদনও করতে পারে।

শুনানির সময় একটা বড় বিষয় সামনে আসে। অনেক ক্ষেত্রে কেন কারও নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছে, সেটা ঠিকভাবে জানানো হয়নি। এ নিয়ে আদালত (Supreme Court) প্রশ্ন তোলে। এই প্রশ্নের উত্তরে কমিশনের আইনজীবী বলেন, অ্যাপেলেট ট্রাইবুনালের কাছে সব তথ্য থাকবে। কেন নাম বাদ বা যুক্ত হয়েছে, তার কারণসহ।

Supreme Court Hearing Likely on SIR List Dispute

আরও পড়ুনঃ তড়িঘড়ি বৈঠক ডাকলেন প্রধানমন্ত্রী! নতুন কোন সিদ্ধান্ত নিতেন চলেছেন মোদী?

এছাড়া বলা হয়েছে, ট্রাইবুনাল নিজেদের মতো করে কাজের পদ্ধতি ঠিক করতে পারবে। তবে একটা বিষয় স্পষ্ট যে, প্রত্যেকটা নথি ভালো করে যাচাই করতেই হবে। শেষে আদালত (Supreme Court) জানিয়ে দেয়, সব মামলা ৭ এপ্রিলের মধ্যে মিটিয়ে ফেলতে হবে। তাই পরবর্তী শুনানি রাখা হয়েছে ৬ এপ্রিল।