বাংলা হান্ট ডেস্কঃ সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) গিয়েও স্বস্তি পেলেন না মহুয়া মৈত্র (Mahua Moitra)। তাঁর আবেদনে গুরুত্বই দিল দেশের সর্বোচ্চ আদালত। সোমবার প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের এজলাসে মহুয়ার মামলা উল্লেখ করা হলে তিনি বলেন, “আমরা এই আবেদনে গুরুত্ব দিচ্ছি না।“ মাঝরাতে নিজ লোকসভা কেন্দ্রের সার্কিট হাউস থেকে বের করে দেওয়ার ঘটনায় শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন তৃণমূল সাংসদ।
সুপ্রিম কোর্টে জোর ধাক্কা খেলেন মহুয়া | (Mahua Moitra)
এদিন কৃষ্ণনগরের সাংসদের আইনজীবী সুপ্রিম কোর্টে বলেন, কলকাতা হাইকোর্টের তরফে তাঁর মক্কেলকে রক্ষাকবচ দেওয়া হয়েছে। তা সত্ত্বেও তাঁকে মাঝরাতে বের করে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। এই ঘটনা একজন ব্যক্তির সাংবিধানিক অধিকারের উপর হস্তক্ষেপ। পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোয় গুরুতর প্রশ্ন তুলেছে। এর নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া উচিত।
আরও পড়ুনঃ গ্রান্ট ইন এইড-দের বকেয়া DA কবে ঢুকবে অ্যাকাউন্টে? বড় খবর দিলেন ভাস্কর ঘোষ
মাঝরাতে সার্কিট হাউস থেকে বের করে দেওয়ার এই ঘটনায় মৌলিক অধিকার ভঙ্গের অভিযোগ তুলে দ্রুত শুনানির আবেদন জানিয়েছিলেন মহুয়া। প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে সাংবিধানিক অধিকারে হস্তক্ষেপেরও অভিযোগ করেছিলেন তিনি। যদিও প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত স্পষ্ট বলে দেন, তাঁরা এই আবেদনে গুরুত্ব দিচ্ছেন না।
প্রসঙ্গত, স্বাধীনতা দিবসের আগের রাতে সার্কিট হাউস ছাড়তে বলার ঘটনাটি ঘটেছিল। ওই দিন সন্ধ্যাবেলা কৃষ্ণনগরের সার্কিট হাউসে গিয়েছিলেন তৃণমূল সাংসদ। তাঁর দাবি, এর আগেও তিনি ওখানে থেকেছেন। তিনি যে ঘরে থাকেন, সেই ঘরটিই তাঁর জন্য খুলে দেওয়া হয়। সময়মতো চা ও ডিনারও দেওয়া হয়েছিল। তবে অভিযোগ, রাত পৌনে ১০টা নাগাদ বাঁধে বিপত্তি। জেলা প্রশাসনের তরফে তাঁকে ফোন করে ঘরটি ছেড়ে দিতে বলা হয়।

মহুয়ার দাবি, এর কারণ জিজ্ঞেস করায় তাঁকে জানানো হয়, “উপরমহল থেকে নির্দেশ এসেছে।“ পরবর্তীতে এই বিষয়ক একটি নির্দেশও তাঁকে পাঠানো হয় বলে অভিযোগ। সেখানে বলা ছিল, ১৪ অগাস্ট সন্ধ্যাবেলা থেকে সাফসাফাই ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য সার্কিট হাউস বন্ধ থাকবে। তবে বুকিংয়ের সময় এমন কিছু জানানো হয়নি বলে অভিযোগ তৃণমূল সাংসদের।
এই ঘটনা সূত্রে আগেই লোকসভার অধ্যক্ষ ওম বিড়লার হস্তক্ষেপ চেয়েছিলেন মহুয়া মৈত্র। এরপর সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন তৃণমূল সাংসদ। তবে তাতেও বিশেষ স্বস্তি পেলেন না তিনি।













