SIR-এ নাম বাদ মানেই নাগরিকত্ব খারিজ? মিলবে না প্রকল্পের সুবিধা? বিরাট পর্যবেক্ষণ সুপ্রিম কোর্টের

Published on:

Published on:

Supreme Court seeks report from Election Commission in West Bengal SIR case
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ এসআইআর (SIR) প্রক্রিয়ায় রাজ্যের লক্ষ লক্ষ মানুষের নাম বাদ গিয়েছে। তাঁদের মধ্যে অনেকের নাম বর্তমানে ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন। এবার সেই ট্রাইব্যুনালে কতগুলি মামলার নিষ্পত্তি হয়েছে? বাদ যাওয়া কতজনের নাম নতুন করে তালিকায় যুক্ত হয়েছে? এই নিয়ে নির্বাচন কমিশনের কাছে রিপোর্ট চাইল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। পাশাপাশি বড় পর্যবেক্ষণও করেছে শীর্ষ আদালত।

এসআইআর মামলায় বিরাট পর্যবেক্ষণ সুপ্রিম কোর্টের | (Supreme Court)

মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি ভি মোহানা ও বিচারপতি জয়মাল্য বাগচির বেঞ্চে পশ্চিমবঙ্গের এসআইআর সংক্রান্ত মামলার শুনানি হয়েছে। সেই সময় আদালত স্পষ্ট জানায়, এসআইআরে নাম বাদ যাওয়া মানেই কোনও মানুষের নাগরিকত্ব খারিজ হওয়া নয়। ফলে তাঁদের সরকারি প্রকল্প থেকেও বঞ্চিত করা যায় না বলে পর্যবেক্ষণ আদালতের।

আরও পড়ুনঃ পিএম আবাস যোজনায় বাড়ি কারা পাবেন? প্রয়োজনীয় নথিপত্র থেকে আবেদন পদ্ধতি জানুন

এদিন সুপ্রিম কোর্টে জানানো হয়, রাজ্যের তরফে ৩৮ লক্ষ আপিলের মধ্যে প্রায় ৩১ লক্ষ আপিল ভোটার লিস্টে নতুন নাম অন্তর্ভুক্ত করার বিরুদ্ধে বা বাদ দেওয়ার দাবিতে করা হয়েছে। মাত্র ৭ লক্ষ ভোটার নাম বাদ পড়ার পর পুনর্বহালের জন্য আবেদন করেছেন।

আইনজীবী গোপাল শঙ্কর নারায়ণ শীর্ষ আদালতে জানান, এখনও অবধি বাদ পড়া ভোটারদের দায়ের করা ৮৩ হাজার আপিলের নিষ্পত্তি হয়েছে। এর মধ্যে ৭৫ হাজার মানুষের নাম নতুন করে তালিকায় যুক্ত হয়েছে। এই পরিসংখ্যান শোনার পর বিস্ময় প্রকাশ করে ডিভিশন বেঞ্চের তরফে জানানো হয়, বাদ পড়া ভোটারদের আর্জি অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে নিষ্পত্তির দাবি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

Supreme Court

সব পক্ষের সওয়াল জবাব শোনার পর কমিশনকে ফের রিপোর্ট দিতে বলেছে সুপ্রিম কোর্ট। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের নির্দেশ, কত নাম অন্তর্ভুক্তির জন্য আবেদন করা হয়েছে আর কত নাম বাদ দেওয়ার জন্য আবেদন করেছে, সেটা হলফনামা দিয়ে কমিশনকে জানাতে হবে।

সম্প্রতি রাজ্যের ট্রাইব্যুনালের কার্যকারিতা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে একটি মামলা হয়েছে। এই মামলার শেষ শুনানিতে কমিশনকে বিস্তারিত তথ্য জমা দিতে বলেছিল আদালত। এদিন ফের তাঁদের কাছে বিশদ রিপোর্ট চাইল প্রধান বিচারপতি বেঞ্চ।