বাংলার সরকার গঠন নিয়ে আত্মবিশ্বাসী শুভেন্দু, ভোটারদের দিলেন কোন ইঙ্গিত?

Published on:

Published on:

Suvendu Adhikari is confident about BJP form government in Bengal
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্ক : প্রথম দফার ভোটগ্রহণ শেষ হতেই রাজ্যের রাজনৈতিক আবহ আরও তীব্র হয়ে উঠেছে। ফল ঘোষণার আগেই শুরু হয়েছে জোরদার দাবি-পাল্টা দাবি। এই পরিস্থিতিতে বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীর বক্তব্য নতুন করে চর্চার কেন্দ্রে। নন্দীগ্রাম ও ভবানীপুর কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) দৃঢ় কন্ঠে জানিয়েছেন, আগামী ৪ মে ফল প্রকাশের দিন বাংলায় বিজেপির সরকার গঠন কার্যত নিশ্চিত।

 বড় দাবি শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari)

এদিন নির্বাচনী প্রচারে ভবানীপুর এলাকায় লক্ষ্মীনারায়ণ মন্দিরের সামনে কর্মসূচিতে অংশ নেন তিনি। সেখান থেকেই রাজ্যের শাসক দলের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ তোলেন শুভেন্দু। তাঁর মতে, গত কয়েক বছরে রাজ্য সরকার উন্নয়নের গতি ধরে রাখতে ব্যর্থ হয়েছে এবং তার ফলেই সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। সেই ক্ষোভই এবার ভোটে প্রতিফলিত হবে বলে দাবি তাঁর।

এইদিনের বক্তব্যে শুভেন্দু সীমান্ত সংক্রান্ত ইস্যু তুলে ধরেন। তাঁর অভিযোগ, রাজ্য সরকার ইচ্ছাকৃতভাবে বিএসএফকে জমি দেওয়ার ক্ষেত্রে বাধা সৃষ্টি করছে। শুভেন্দুর দাবি, রাজ্যের একাধিক জেলায় একটি নির্দিষ্ট সম্প্রদায়ের প্রভাব উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। তাঁর কথায়, এই নির্বাচন কেবল একটি আসন বা সরকার গঠনের লড়াই নয়, বরং বৃহত্তর জাতীয় স্বার্থের সঙ্গেও জড়িত।

উল্লেখ্য, অযোধ্যার রাম মন্দির প্রসঙ্গ টেনে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অবস্থান নিয়েও সমালোচনা করেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, এই ইস্যুতে মুখ্যমন্ত্রীর অবস্থান হিন্দু সমাজের অনুভূতিতে আঘাত করেছে। প্রথম দফার ভোটের পর কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ যে ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, সেই সুরেই বললেন শুভেন্দু। তাঁর মতে, প্রথম পর্বের ভোটেই স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে যে বিজেপি ১১০টির বেশি আসন পেতে চলেছে।

Suvendu Adhikari is confident about BJP form government in Bengal

আরও পড়ুন : প্রথম দফার ভোটে অশান্তি, হাইকোর্টে দায়ের জনস্বার্থ মামলা

শুভেন্দু আরও বলেন, রাজ্যের মানুষ তৃণমূলের শাসন থেকে বেরিয়ে আসতে চাইছেন এবং পরিবর্তনের পক্ষে মনস্থির করেছেন। ৪ মে-র ফলাফল বাংলার রাজনৈতিক ছবিতে বড় পরিবর্তন আনবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। ফলাফল ঘোষণার আগে শুভেন্দু অধিকারীর এই দৃঢ় অবস্থান স্পষ্ট করে দিচ্ছে, নির্বাচনের লড়াই এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে। শেষ পর্যন্ত জনতার রায় কোন দিকে যায়, সেটাই এখন দেখার।